২৭ জুলাই ২০১৭


উন্নয়ন বঞ্চিত হাজিপুর, রাস্তাঘাটের করুন দশা

শেয়ার করুন

ছয়ফুল আলম সাইফুল, কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) থেকে : কুলাউড়া উপজেলার মনু নদী ঘেষা কটারকোনা হইতে নছিরগঞ্জ সড়কটি হাজীপুর ও শরিফপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একমাত্র সড়ক। হাজীপুর, মনু, পাইকপাড়া, সুলতানপুর, নছিরগঞ্জ এলাকার জনগন এবং মালামাল পরিবহনের কুলাউড়ার সাথে যোগাযোগের একমাত্র এ সড়ক। অপরদিকে পাইকপাড়া হইতে সুলতানপুর সড়কের বেহাল দশা, ভুইগাও হইতে দাউদপুর রাস্তার কালবার্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।তাছাড়া সুলতানপুর থেকে আলীপুর মাদানগর মনু-নদীর বেড়ীঁবাদে উপর রাস্থার কাজ এলকাবাসী বার বার মেরামত করছেন।

কটারকোনা-নছিরগঞ্জ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত ছোট যানবাহন চলাচল করছে। ব্যাপক সংখ্যক যানবাহন চলাচলে এবং বৃষ্টির কারণে ইট, বালু, খোয়া উঠে সড়কে বিভিন্ন জায়গায় বড় ও গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক সিএনজিসহ অনেক ছোট যানবাহন দুর্ঘটনায় কবলিত হচ্ছে।

নছিরগঞ্জ ও পীরেরবাজার হইতে কটারকোনা যেতে যেখানে বড়জোড় ১৫/২০ মিনিট সময় লাগার কথা, সেখানে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সময় লাগছে এক থেকে দেড়ঘন্টা। রাস্তার এই বেহাল অবস্থার কারণে এই সড়কে চালিত সিএনজির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে পড়ছে বলে সিএনজির চালকরা জানান। তাছাড়া এই সড়কে ছোট বড় দুর্ঘটনা নিত্যদিন ঘটছে।

পাইকপাড়া-সুলতানপুর এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত ছোট যানবাহন চলাচল করছে। ব্যাপক সংখ্যক যানবাহন চলাচলে এবং বৃষ্টির কারণে ইট, বালু, খোয়া উঠে সড়কে খানাখন্দকে পরিণত হয়েছে। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ২/৩ বছর থেকে সড়কটির এ অবস্থা অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই।

মনু-তিলকপুর সড়ক থেকে লিংক রাস্থা সংস্কারের অভাবে এবং বন্যায় কালবাট ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারনে যোগাযোগ বন্ধ প্রায় কয়েকমাস থেকে বন্ধ। ইউনিয়ন পরিষদও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না ।

সুলতানপুর-আলীপুর নদীরপারের রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী এলাকাবাসী রাস্তাটি বার বার মেরামতের চেষ্ঠা করছেন। এ রাস্তা নিয়ে মানববন্ধনের কথা ভাবছে এলকাবাসী।

এ ব্যাপারে ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান হেলাল জানান, আমার ৫নং ওয়ার্ডের একটি রাস্তাও পাকা নোই।পাকা রাস্তার জন্য বার বার বতমান সংসদ সদস্যের নিকঠ আবেদন করেও কোন সুরাহ হচ্ছেনা। আজ থেকে প্রায় ৩/৪ বছর আগে পানি উন্নয়ন বোড এই রাস্তার পাকা করণের অনুমতি প্রদান করে এবং এলজিইডি রাস্তাটি আইডি নাম্বার ভুক্ত করলেও আজও এলাকাবাসী পাকা রাস্তা মুখ দেখতে পায়নি। বিসয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য (মৌলভীবাজার-২ আসনের) আব্দুল মতিন ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্ছুকে অবগত করা হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

বিসয়টি নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুর রাকিব বলেন, এ সড়কটি সংস্কারের প্রয়োজন।

 

(আজকের সিলেট/২৭ জুলাই/এমআর/ঘ.)

শেয়ার করুন