৯ আগস্ট ২০১৮


কুলাউড়ায় ভুয়া সনদপত্র সত্যায়িত করতে এসে যুবক

শেয়ার করুন

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : পরীক্ষার সনদের ফটোকপি সত্যায়িত করতে গিয়ে পুলিশের কব্জায় পড়েছে মিজানুর রহমান (২৮) নামের এক যুবক। সে জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকার বাসিন্দা।

কুলাউড়া উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ওই যুবককে আটক করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে- বুধবার রাতেই ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কুলাউড়া থানায়। মামলা নং-১৩। বৃহস্পতিবার সকালে মৌলভীবাজার কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, মিজানের সনদগুলো ভুয়া। সনদের যে তথ্যে সত্য বেরিয়ে আসে, তা হলো ওই যুবক ২০০৫ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করেছেন। আর তাঁর এসএসসির (মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট) সনদে পাসের সাল ২০০৩!

পুলিশ ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর বেলা ১১টার দিকে বিভিন্ন সনদের ফটোকপি সত্যায়িত করতে সেখানে যান। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাঁকে মূল সনদগুলো দেখাতে বলেন। সনদ অনুযায়ী মিজানুর স্নাতক পাস করেছেন। মূল সনদে দেখা যায়, তিনি হবিগঞ্জের দিনারপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া করেন। আবার ২০০৩ সালে দিনারপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ২০০৫ সালে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি (উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট) ও ২০০৯ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক পাস করেছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহসান ইকবাল বলেন- ‘২০০৫ সালে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে ২০০৩ সালে এসএসসি ও ২০০৫ সালে এইচএসসি পাসের সনদ দেখে সন্দেহ হয়। এটা কীভাবে সম্ভব হলো জানতে চাইলে ওই যুবক কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এরই মধ্যে তিনি সব সনদ জাল স্বীকার করে পায়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করেন। পরে পুলিশ ডেকে এনে তাঁকে তাদের হাতে তুলে দিই।’

কুলাউড়া থানার এসআই মাসুদ আলম বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জানান- জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর জানিয়েছে জাল সনদ ২ বছর আগে ঢাকা থেকে এনেছে। সে পাঁচ তারকা হোটেলে প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদে চাকরির আবেদন করতে চেয়েছিলেন। এজন্য সত্যায়িত করতে গেলে আটক হয়।’

(আজকের সিলেট/৮ এপ্রিল/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন