১৪ আগস্ট ২০১৭


নিউইয়র্কে বাংলাদেশী পুলিশ অফিসারের আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি : আমেরিকার নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে (এনওয়াইপিডি) কর্মরত বাংলাদেশী বংশোদ্ভ‚ত একজন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেমায়েত সরকার আত্মহত্যা করেছেন। তার বয়স হয়েছিলো মাত্র ৩২ বছর। তিনি স্ত্রী ফালগুনী সুলতান এবং সাড়ে তিন বছরের ছেলে জারদিসসহ অনেক আত্মীয়- স্বজন রেখে গেছেন।

রবিবার (নিউইয়র্ক সময়) দুপুরে তার নিজের বাসার বেসমেন্ট থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। পরিবারের সদস্যরা এ সময় বাসায় ছিলেন।

হেমায়েত সরকার (৩২) নামে ওই পুলিশ কর্মকর্তা স্ত্রী ও সাড়ে তিন বছরের পুত্রসহ নিউইয়র্কের কুইন্স ভিলেজে বসবাস করতেন। কয়েক মাস আগে তিনি এই বাড়িটি কিনেছিলেন। ২০০৫ সালে ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এনওয়াইপিডির অফিসার তিনি পদে যোগদান করেন।

পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছ, পুলিশ অফিসার হেমায়েত সরকার মাথায় নিজের পিস্তল দিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছেন। তিনি যখন আত্মহত্যা করেন তখন তার স্ত্রী বাসার উপরের তলায় ছিলেন। ঐ পরিস্থিতিতে তিনিই পুলিশ কল করেছিলেন।

হেমায়েত সরকারের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। ২০০২ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ব্রæকলিনের হাউজিং-২ শাখায় তিনি কর্মরত ছিলেন। হেমায়েত সরকারের মৃত্যুর পর পুলিশ তার বাসাটি ঘিরে রেখেছে। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে কুইন্স হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পুলিশ অফিসার হেমায়েত সরকারের মৃত্যুতে সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় সময় সোমবার মাগরিবের নামাজের পর জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে তার নামাজের জানাযা হওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন তার মরদেহ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ অফিসার হেমায়েত সরকার বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফার্মাসিস্ট সৈয়দ টিপু সুলতানের ভাগ্নি জামাই এবং বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কার্যকরি সদস্য খোরশেদ আলমের শ্যালক।

বাংলাদেশ সোসাইটির সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক খায়ের, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী এবং কার্যকরি সদস্য আজাদ বাকিরসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ হেমায়েত সরকারের বাসভবনে যান।

 

(আজকের সিলেট/১৪ আগষ্ট/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন