৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭


বালাগঞ্জে সংঘর্ষে ঘটনায় পুরুষ শূন্য দুই গ্রাম

শেয়ার করুন

 ওসমানীনগর প্রতিনিধি :সিলেটের বালাগঞ্জে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় এক পক্ষ বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর থেকে এলাকার দুই গ্রামের পুরুষ শূন্য রয়েছেন।

এদিকে, এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে লালন মিয়ার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে কুশিয়ারা বাজারে ৫/৭টি দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, দোকান ভাংচুর ও লুটপাটে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে তারেক স্টোর ও শেফুল স্টোর লুটপাট ও ভাংচুর হয়েছে বেশী। ক্ষতিগস্থ দোকানগুলো হলো- তারেক স্টোর, সামছু উদ্দিন স্টোর, শেফুল স্টোর, বাবুল মিয়ার দোকান, সুমন মিয়ার দোকান, জাহেদ টেলিকম, কাচামাল ব্যবসায়ী সনর মিয়াসহ আরো কয়েকটি দোকান।

জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার পশ্চিম ইছাপুর ও কিত্ত জালারপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে স্থানীয় কুশিয়ারা বাজার (প্রেমবাজার)রে সংঘর্ষ হয়। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সান উল্যা ও কিত্তে জালালপুর গ্রামের ও পৈর্ব পৈলনপুর ইউপি বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল মতিনের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।  প্রায় ৩ঘন্টা সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০জন আহত হন।

অন্যদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় পুর্ব পৈলনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সান উল্যার পুত্র হাছান মিয়া বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিনসহ ৪০জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত১০০/১৫০. জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২। মামলার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে এলাকায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে।

বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জালাল উদ্দিন জানান, এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুলিশ টহল অব্যাহত রয়েছে। আসামী ৭ জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামী গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।

(আজকের সিলেট/ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ /টিআর/ঘ)

শেয়ার করুন