১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭


বণ্যায় দূর্ভোগে বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরবাসী

শেয়ার করুন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি : বেশ কিছু দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরে বন্যার পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে অবিরাম বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরে দুই উপজেলায় চতুর্থ দফার বন্যায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এসব উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের অধিকাংশ বাসিন্দাদের।

দফায় দফায় বন্যা ও পানি বৃদ্ধিতে আতংকের মধ্যে রয়েছেন এ দুই উপজেলার বাসিন্দারা। নতুন করে বন্যার পানি বৃদ্ধির কারণে দুই উপজেলার মানুষরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ঘরবাড়িতে পানি ঢুুকে পড়ায় বাড়িঘর ছেড়ে অনেক পরিবারই আশ্রয় নিয়েছে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে।

জানা গেছে, কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে ও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরে আবারও বন্যা ভয়াবহ রূপধারণ করেছে। ইতিমধ্যে তলিয়ে গেছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। গবাদিপশু নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এলাকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নতুন করে দুই উপজেলার সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পানি বৃদ্ধির ফলে রোপা আমন ধানের চারা তলিয়ে গেছে। এদিকে বন্যার পানি বৃদ্ধির ফলে এলাকার অনেক পরিবার অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটাচ্ছেন। পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে বন্যার্তদের।

সাদিপুর ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামের আব্দুল সমেদ বলেন, ‘আগেও ত্রান পাইনি। এখন তো আর কেউ আমাদের খবরও রাখছেন না। শুধু আমি নয় এলাকার অনেকেই এখন অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।’

ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বন্যাকবলিত এলাকায় আমরা সব সময় খোঁজখবর নিচ্ছি। বন্যার্তদের তালিকা তৈরী করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।’

 

(আজকের সিলেট/১১ সেপ্টেম্বর/ডি/এসসি/ঘ.)

শেয়ার করুন