২৫ জুন ২০১৭


সারপার হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভূমি দখলের অপচেষ্ঠা!

শেয়ার করুন

বিয়ানীবাজারে প্রতিনিধি : বিয়ানীবাজার উপজেলাধীন সারপার হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভূমি দখলের অপচেষ্ঠা ও মাদ্রাসার দালান কোটা ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে প্রকাশ, ১৯৪৪ ইং সনে মাদরাসাটি হাফিজিয়া মাদরাসা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে । ১৯৯৫ ইং সনে ইবদেদায়ী স্বীকৃতি লাভ করে । ২০০৯ সনে দাখিল পাঠদানের অনুমতি ও ২০১৪ সনে দাখিল স্বীকৃতি লাভ করে। মাদরাসা প্রতিষ্ঠাকলীন সময়ে (১৯৪৪ ইং সনে) মৃত শেখ মড়াই মিয়া মাদরাসায় কিছু ভূমি মৌখিক দান করেন। উল্লেখিত ভূমি আজোবধি মাদরাসা ভোগ দখল করে আসছে।মড়াই মিয়ার মৃত্যুর প্রায় ৬৫ বছর পর ২০০৭ সনে তার পূত্র তৈয়ব আলী উল্লেখিত ভূমি এস.এ রেকর্ড ও উত্তরাধীকারী সূত্র মালিকানা দাবী করেন এবং সম্প্রতি দখল নেয়ার চেষ্ঠা করেন।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির বক্তব্য : তৈয়ব আলীর পিতা শেখ মড়াই একজন খোদাভীরু ও দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অলিয়ে কামিল হাফিজ কেরামত আলীর ভক্ত ছিলেন। তার জীবদ্দশায় তিনি উক্ত ভূমি মৌখিক দান করে গেছেন বিধায় মাদরাসা ভোগ দখল করে আসছে এবং মাঠ জরীপ ও নামজারী মাদরাসার নামে বিদ্যমান আছে। তদুপরি মৃত শেখ মড়াই মিয়ার ছেলে তৈয়ব আলী পিতার মৃত্যুর পর বিভিন্ন মহলের চক্রান্তে ও পরামর্শে মালিকানা ও দখল নেয়ার অপচেষ্ঠা করছেন।

সরেজমীনে মুরব্বীয়ানদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, মৃত শেখ মড়াই মিয়া যে দাগে ভূমি দান করেছেন সেখানে মসজিদ ও পুকুর ঘাট বিদ্যমান এবং ৫০/৬০ বৎসরের নারিকেল গাছ বিদ্যমান আছে। অথচ শেখ মড়াই মিয়ার ছেলে তৈয়ব আলী পিতার দানকৃত দাগের ভূমির পরিবর্তে অন্য দাগের ভূমিতে দালান কোটা ভাংচুর করে স্থাপনা তৈরির অপচেষ্ঠা করছেন।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিষ্ঠিত মসজিদ মাদরাসা কেউ জোর পূর্বক তৈরী করে নাই বিধায় ৬৫ বৎসর যাবত ভোগ দখল করে আসছে এবং ইতিপূর্বে বিভিন্ন তদন্তে এখানে মসজিদ , মসজিদের পুকুর ঘাট বিদ্যমান থাকায় ভোগ দখলে মাদরাসা আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের সাথে একমত পোষন করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এবং মৃত শেখ মড়াই মিয়া উক্ত মাদরাসার একজন ভূমিদাতা সদস্য হিসাবে ও স্বীকৃতি প্রদান করছে তারা জানান- আমরা উত্তরাধীকারী সূত্রে তৈয়ব আলীর মালিকানা দাবী করার প্রেক্ষিতে তার দাবীকৃত ২৬৮৪ নং দাগে ভূমি প্রদান করতে চাই কিন্তু তৈয়ব আলী মাদরাসার স্থাপনা ভেঙ্গে অন্য দাগের ভূমি দখলের অপচেষ্ঠা করছেন তা আমরা মানতে নারাজ।

প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষকের সাথে আলাপকালে জানা যায়- রমজান মাসে মাদরাসা বন্ধ থাকার সুবাদে তৈয়ব আলী মাদরাসার স্থাপনা ভেঙ্গে, গাছ কেটে ভূমি দখলের অপচেষ্ঠা করায় ছাত্র জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। তারা এ ব্যাপারে সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করছেন।

 

(আজকের সিলেট/২৫ জুন/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন