৬ অক্টোবর ২০১৭


গোলাপগঞ্জে সংঘর্ষের পর সমঝোতায় দুই গ্রামবাসী

শেয়ার করুন

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : দফায় দফায় দুই গ্রামের সংঘর্ষের পর সমঝোতায় বিরোধ বিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। শুক্রবার এ নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন ও পৌর মেয়র, কাউন্সিলর এবং সাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় উভয় গ্রামের লোকজনকে নিভৃত করা হয়েছে।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হক শিবলী বলেন, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। সংঘর্ষ থামাতে ১০ রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া কিশোরীর মরদেহ দাফনের পর তা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি পূর্ব ও দক্ষিণপাড়া গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি বড় মোকাম পঞ্চায়েত কবরস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপাড়া ও দক্ষিণ পাড়ার লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরপাড়া গ্রামের কালা মিয়ার মেয়ে ফারজানা বেগম (১৪) মারা গেলে দুপুরে ওই কবরস্থানে তার দাফন হয়। এতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান জনৈক নুরাই মিয়া।

এ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজন মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংর্ঘষ থামাতে গিয়ে পৌর মেয়র সিরাজুল জব্বার, ওসি ফজলুল হক শিবলী, ওসি তদন্ত মীর নাসিরসহ উভয় গ্রামের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন।

সংঘর্ষের কারণে সিলেট-জকিগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে সমঝোতায় আসেন উভয় গ্রামের লোকজন।

 

(আজকের সিলেট/৬ অক্টোবর/ডি/কেআর/ঘ)

শেয়ার করুন