৭ অক্টোবর ২০১৭


দেড় দশক থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানে চলছে মীরপুর ইউনিয়ন

শেয়ার করুন

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে জগন্নাথপুরের মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হচ্ছে না । ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিয়ে চলছে পরিষদের যাবতীয় কার্যক্রম।

সম্প্রতি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন কারণে স্থগিত হওয়া ২১০টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্টানের আওতাভূক্ত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্তে ইউনিয়নবাসী ভোটাধিকার প্রয়োগ করার স্বপ্ন দেখছেন।

ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাদেকুর রহমান সাদ, ফয়সল আহমদ, জহুর মিয়াসহ কয়েকজন দীর্ঘ ১৫বছর ভোট প্রদান না করতে পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,‘আমরা নির্বাচন বাস্তবায়ন করার জন্য বিভিন্ন ভাবে আন্দোলন করে এসেছি। যদি আমাদের ইউনিয়নবাসী দুঃখ ও দুরদর্শা প্রধান নির্বাচন নুরুল হুদা বিবেচনা করেন; আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকব।’

নির্বাচন বায়স্তবায়ন কমিটি আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির বলেন, একটি ইউনিয়নবাসীর ভোটাধিকার নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করে তাঁরা সফল হবে না। সকল বাঁধা পেরিয়ে শীঘ্রই নির্বাচন হবে এমনটাই তিনি জানান।

জানা যায়- ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা করা হলেও উপজেলার সবকয়টি ইউনিয়নের ন্যায় মীরপুর ইউনিয়নে নির্বাচনে অংশগ্রহনকারীরা মনোনয়ন জমা করে চালিয়ে যান প্রচার প্রচারনা। এরই মধ্যে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় নির্বাচন স্থগিত হয়ে পড়ে। স্থগিত হওয়া ওই ইউপির নির্বাচন হয়নি সম্প্রতি অনুষ্টিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। ওই ইউনিয়ন ছাড়া জগন্নাথপুর উপজেলার বাকি সবকয়টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।

দীর্ঘ পনেরো বছর নির্বাচন না হওয়ায় ক্ষোভ আর হতাশায় নির্বাচনের দাবিতে বিভিন্ন ভাবে আন্দোলনে নামেন ‘মীরপুর ইউনিয়ন নির্বাচন বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে এলাকাবাসী।’

সম্প্রতি সিইসির কাছে মীরপুর ইউনিয়নের তথ্য প্রদান করা হয়েছে বলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানিয়ে বলেন, আমাদের কাছে নির্বাচন করার সিডিউল আসেনি।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন,‘ গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে নির্বাচন হবে; এবার হতেও পারে। কিন্তু আমরা এখন নির্বাচন করার আদেশ পাইনি। নির্বাচন সম্পন্ন করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

উল্লেখ্য- ২০১০ সালে সাবেক ওই পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আকমল হোসেন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। পরবর্র্তীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলে ২০১১ সালে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে তিনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। তার অব্যাহতির ফলে পরিষদের ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়ে এখনো ওই দায়িত্বে রয়েছেন।

 

(আজকের সিলেট/৭ অক্টোবর/ডি/কেআর/ঘ)

শেয়ার করুন