৭ জুলাই ২০১৭


ছাতক-কোম্পানী নৌপথে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি

শেয়ার করুন

নাজমুল ইসলাম, ছাতক (সুনামঞ্জ) থেকে : ছাতক-কোম্পানীগঞ্জ নৌ-রোডে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। একটি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট প্রত্যহ সহস্রাধিক বালু ও পাথরবাহি নৌকা থেকে জোরপূর্বক প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে।

গত ২জুলাই সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউপির চাঠিবহর (পূর্বপাড়া) গ্রামের ইবরাহিম মড়লের পুত্র মাওলানা ফারুক আহমদ ও ২১জুন চাঠিবহর (আমবাড়ি) গ্রামের মৃত হাজি তৈমুছ আলীর পুত্র সুজন মিয়া সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে অব্যাহত চাঁদাবাজি বন্ধের পৃথক আবেদন করেন।

আবেদনে চাঠিবহর (টিলাপাড়া) গ্রামের আজমান আলীর পুত্র আমির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চাঁদাবাজচক্র পিয়াইন নদীর ছাতক-কোম্পানীগঞ্জ নৌ-রোডে বালুও পাথরবাহি নৌকা থেকে চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন।

আমির হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বালু মহাল ব্যবসায়ি সমবায় সমিতি লিঃ সাইন বোর্ডের আড়ালে প্রত্যহ সহস্রাধিক নৌকা থেকে নৌকা প্রতি ২শ’ থেকে ৫শ’টাকা করে চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। টাকা দিতে দেরি করলে নৌকাও বাল্কহেডের মাঝি ও স্টাফদের মারপিট করা হয়ে থাকে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এব্যাপারে ব্যবসায়ি সুজন মিয়া নিজেকে একজন ব্যবসায়ি উল্লেখ করে বলেন, চাঁদাবাজরা মামলায়-হামলায় জড়িয়ে তাকে হয়রানি করার ভয়ভীতি প্রদান করে যাচ্ছে। এসময় তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় তাকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকার অপচেষ্ঠা করলে মানুষ আর কখনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যাবেনা। তিনি আমির হোসেনের অব্যাহত চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ আলতাফ হোসেন জানান, বিভাগীয় কমিশনার স্যারের কাছে জনৈক ফারুক আহমদের অভিযোগের ভিত্তিতে চলমান চাঁদাবাজি বন্ধে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে থানার এসআই রফিক আহমদের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি নৌপথে চাঁদাবিাজি বন্ধের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলেও দাবি করেন।

 

 

(আজকের সিলেট/৭ জুলাই/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন