৮ জুলাই ২০১৭


বিভক্ত সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিভক্ত রাজনীতিতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে সিলেট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। ঐক্যবদ্ধ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগে এক সময় ঐক্যের সুবাতাস বইলেও বর্তমানে অনৈক্য বিরাজ করছে। দুই বলয়ে পালন করা হচ্ছে দলীয় কর্মসূচি। একই মেরুতে দীর্ঘদিন রাজনীতি করে আসলেও জেলা আওয়ামী লীগের দুই নেতার নেতৃত্বে এখন দুটি বলয় তৈরি হয়েছে। যার কারণে দলের তৃণমূলে অস্বস্তি বিরাজ করছে।

‘কুল রাখি না শ্যাম রাখি’; এমন সংকটে অনেক নেতাকর্মী দলের কর্মসূচি থেকে দূরে রয়েছেন। যা দলের জন্য অশনি সংকেত বলে মনে করছেন অনেকে। ‘রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে’, নেতারা এমন দোহাই দিলেও বাস্তবতা ভিন্ন। প্রতিযোগিতা কখনো কখনো প্রতিহিংসায় রূপ নিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ঐক্য ফিরে না আসলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন খোদ দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, দলের নীতি নির্ধারকরা যথাযথ উদ্যোগ নিয়ে এ সমস্যা দ্রুত সমাধান করবেন। আর এ দায়িত্ব সিলেটের অভিভাবক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকেই নিতে হবে বলে মনে করছেন দলের তৃণমূল নেতারা।

মৃতপ্রায় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগে প্রাণসঞ্চার করতে ২০০১ সালে আবুল মাল আবদুল মুহিত দলের দুর্বলতা চিহ্নিত করে দল শক্তিশালী করার কাজে মনোযোগী হন। পরবর্তী সময়ে গঠন করা হয় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি।

আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম ছমির উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাদশা, সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিনসহ ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু ছমির উদ্দিন মারা যাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হন বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাদশা। পরবর্তীতে এই আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন এএমএ মুহিত।

আহ্বায়ক কমিটি ছাড়াও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিকসহ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে তিনি সদরের ৮টি ইউনিয়নের ৭২টি ওয়ার্ডে ঘুরে বেড়ান। এর আগে ওয়ার্ড পর্যায়ে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী এভাবে দলীয় কাজে অংশ নেননি। এর ফলশ্রুতিতে সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে আওয়ামী লীগ শক্ত একটি ভীত তৈরি করে নেয়। শুধুমাত্র টুকেরবাজার ইউনিয়নে আহ্বায়ক কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয়।

ইউনিয়ন কমিটি গঠনের পর ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো জমকালো আয়োজনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মতো সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। ইউনিয়নের কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন বর্ষিয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাদশা। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মো. নিজাম উদ্দিন। ২০০৫ সালে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৮ সালে এসে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হয়। সময়ের ব্যবধানে শক্তিশালী একটি ইউনিট হিসেবে আবির্ভূত হয় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। বেড়ে যায় সমর্থকসহ ভোটার সংখ্যাও।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানকে পরাজিত করে দল শক্তিশালী করার সুফল ভোগ করেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরবর্তীতে তিনি অর্থমন্ত্রীও নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের উত্থানের মধ্যেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশফাক আহমদ। বর্তমানে তিনি দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে ২য় বারের মতো সদর উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করছেন। নেতাদের অভিমত, এটা সম্ভব হয়েছে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকার কারণে।

এদিকে আওয়ামী লীগের ভোট বৃদ্ধির বিষয়টি বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও কিছুটা প্রমাণ পাওয়া যায়। কারণ বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই নির্বাচনে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। বিএনপি জয়লাভ করে ৩টিতে। তবে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া মাত্র ২ প্রার্থী (কান্দিগাঁও, মোগলগাঁও) পাশ করেন। ৩টি ইউনিয়নে (টুলটিকর, খাদিমপাড়া ও জালালাবাদ) পাশ করেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। মূলত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর কিছু ইউনিয়নে প্রার্থী বাছাইয়ে ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দলীয় মনোনয়ন পেয়েও ধরাশায়ী হন খোদ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাছে। তবে শেষ পর্যন্ত ৫টি ইউনিয়নে আওয়ামী ঘরানার প্রার্থীরা চেয়ারে বসলেও বিগত দুই নির্বাচন ছাড়া সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে কর্তৃত্ব ছিলো বিএনপি ঘরানার প্রার্থীদের।

২০০৩ সালের ইউনিয়ন নির্বাচনে সদরে ৫টি ইউনিয়নে জয়লাভ করে বিএনপি। ২টিতে আওয়ামী লীগ এবং ১টিতে জাসদের প্রার্থী জয়ী হন। তখন ক্ষমতায় ছিলো বিএনপি। দীর্ঘদিন বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় তাদের সমর্থক এবং ভোটারও ছিলো বেশি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ একবার ক্ষমতায় আসলেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দলের সমর্থক এবং ভোটারের সংখ্যা অনেকাংশে বেড়ে যায়। ২০১১ সালের নির্বাচনে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। ২০০৩ সাল থেকে ২টি ইউনিয়নে বেশি পাশ করে দলটির প্রার্থীরা। বিএনপি নেমে আসে ৩টিতে। ১টি ইউনিয়নে পাশ করে জামায়াত। সর্বশেষ ২০১৬ সালে দলীয় প্রতীকের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয় ৫টি ইউনিয়নে। বিএনপি থেকে যায় ৩টিতে।

দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় এবং দেশ পরিচালনায় আশানুরূপ উন্নয়ন করায় দলটির ভোট সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে মূলত দলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন বলে মনে করেন দলের নেতারা। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় বড় কোন পরীক্ষা দিতে হয়নি সিলেট-১ আসনে (সদর উপজেলা-সিটি করপোরেশন) আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে। এ আসনে কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি নির্বাচিত হন। আবারো অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে মুখ উজ্জ্বল করেন সিলেটবাসীর।

কিন্তু আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বড় ধরণের পরীক্ষার সম্মুখীন হতে পারেন। কারণ ঐক্যবদ্ধ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ এখন দুই ভাগে বিভক্ত। জেলা পর্যায়ের দুই নেতার নেতৃত্বে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে একটি বলয়কে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছেন।

দলের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঐক্যবদ্ধ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফাটল ধরার পেছনে অনেকাংশে দায়ী একই এলাকার দুই ছাত্রলীগ নেতা। কারণ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের পদ-পদবীর দৌঁড়ে থাকা এ দুই নেতা ফেসবুকে একে অপরকে আক্রমণাত্মক লেখালেখি করতেন। এদের নামে-বেনামে রয়েছে একাধিক আইডি। যা থেকে বিভিন্ন সময় উস্কানিমূলক লেখালেখিও করতেন। তা প্রকাশ্যে রূপ নেয় একযুগেরও বেশি সময় ধরে এক কমিটিতে চলে আসা সদর উপজেলা ছাত্রলীগ বিলুপ্তি ঘোষণার পর। এই দুই নেতার নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে তেমুখি এলাকায় বের করা হয় পৃথক মিছিল। সেই থেকে শুরু। এ বিভক্তি এক সময় আওয়ামী লীগ পর্যায়ে চলে যায়। বর্তমানে যে কোন কর্মসূচি আওয়ামী লীগের দুটি ব্যানারে পালন করা হয়।

সদরে দুটি বলয় তৈরির কারণে দেড়যুগ পর গত ১৫ মার্চ সদর উপজেলা যুবলীগের কর্মী সমাবেশের মধ্যদিয়ে কমিটি গঠনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন জেলা যুবলীগ নেতারা। দুই বলয়ের অনুসারীদের কমিটিতে নিয়ে আসতে অনড় অবস্থানের কারণে ঢাকায় বসেও বিষয়টির সূরাহা হয়নি। সাড়ে ৩ মাসেরও অধিক সময় পার হয়ে গেলেও আজ অবধি কমিটি ঘোষণা করতে পারেননি নেতৃবৃন্দ। একই অবস্থা ছাত্রলীগের ক্ষেত্রেও। তারাও সুবিধা করতে পারছে না কোন কর্মীসভা আয়োজনে। এছাড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগও মেয়াদোত্তীর্ণ। আওয়ামী লীগের মূল স্তম্ভ এই ৩ কমিটি নতুন করে গঠন না হওয়ার কারণে সাংগঠনিক কর্মকা- ব্যাহত হচ্ছে।

দলের নিবেদিত অনেক নেতা জানান- ‘দলে এখন সবাই নেতা। কর্মীদের বড়ই অভাব। এখন বলয়ভারি করতে ছাত্রদল থেকেও ধরে ধরে লোক আনা হচ্ছে। কিন্তু মাঠের অবস্থা খুবই খারাপ। এখন যারা নেতাদের পিছনে লাফালাফি করছে, এদের অনেকের কথায় একটি ভোটও আসবে কিনা সন্দেহ আছে। ভোটের জন্য কেউ কাজ করছে না। পাতিনেতাদের অসৌজন্যমূলক আচরণে রাজনীতি থেকে বিমুখ হচ্ছেন অনেকে। যারা ভোটের সময় দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন, তারা অনেকেই নিরব রয়েছেন। এরমধ্যে দুটি বলয় তৈরি হয়ে যাওয়ায় অনেকে অস্বস্তিতে রয়েছেন। কারণ সদরে কখনো গ্রুপিং রাজনীতি ছিলো না। সবাই একসাথে রাজনীতি করেছেন। এখন আলাদা আলাদা হয়ে যাওয়ায় ‘কুল রাখি না শ্যাম রাখি’ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন অনেকে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আসন্ন নির্বাচনে দলের বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে।’ এমন আশংকার কথা জানান- পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাসী তৃণমূলের অনেক নেতা।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন চেয়ারম্যান বলেন, “সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধই আছে। বৃহৎ একটি দল হিসেবে এখানে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে যে কয়জন দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে আলাদা কর্মসূচি পালন করছেন, তাদের ব্যাপারে দলের সিনিয়র নেতারা অবগত আছেন। তারপরও আমি বিশ্বাস করি, দলের প্রয়োজনে আওয়ামী লীগ নেতারা ঠিকই এককাতারে চলে আসেন। অতীতে এরকম অহরহ নজির রয়েছে। আমার বিশ্বাস তারাও ফিরে আসবেন। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ আছে। আর ঐক্যবদ্ধ থাকার কারণে দুই দুই বার আমরা উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছি। ৫টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতারা জয়লাভ করেছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ তার জয়ের ধারা অব্যাহত রাখবে।”

উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন বিষয়ে তিনি বলেন, “উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৭২টি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৬টি ইউনিয়নের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুটি ইউনিয়নে সম্মেলনের বাকি আছে। তাও শিগগিরই করা হবে। এরপরই সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।”

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভক্তি বিষয়ে বলেন, “১৩/১৪ বছর ধরে যারা দায়িত্বে আছে, তারা এখন একটা ব্যর্থ কমিটিতে পরিণত হয়েছে। তাদের সাংগঠনিক কোন তৎপরতা নেই। যারা দলকে ভালোবাসে, দলের নিবেদিত প্রাণ, তারা অনেকে নিস্ক্রিয় রয়েছে। আর যে কয়জন আছে, তারা ব্যক্তিস্বার্থে কাজ করছে। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও তারা পালন করে না। যারা দলের কর্মসূচি পালন করে না, তাদের জাগিয়ে তোলার জন্য দলের কিছু নিবেদিত প্রাণ কর্মসূচি পালন করছে। এখানে দুইভাগে বিভক্ত হওয়ার কিছু নেই। আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ আছে।”

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ বলেন, “সদরবাসী ঐক্যবদ্ধ। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগও ঐক্যবদ্ধ আছে। কে বা কারা কি করছে, তা আমার জানা নেই। কেউ যদি কিছু করে থাকে, তার দায়-দায়িত্ব নিয়ে করছে। এটা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা হতে পারে। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ আছে, ঐক্যবদ্ধ থাকবে।”

 

(আজকের সিলেট/৮ জুলাই/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন