২ ডিসেম্বর ২০১৭


‘সরকার কা মাল, দরিয়া মে ঢাল’

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ নিয়ে সিলেটে ভোগান্তির শেষ নেই। বিদ্যুৎ বিভাগের ডিজিটালাইজেশনের ফাঁদে পড়ে বাড়তি বিল সহ বিভিন্ন সময়ের লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি । কয়েক দফা বিদ্যুতের দাম বাড়লেও নীরবে সয়ে যাচ্ছেন নগরবাসী। এমনকি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারনে গত বৃহস্পতিবার আধবেলা হরতালও ছিল। তবে, বিদ্যুতের বাড়তি দাম ও লোডশেডিংয়ের কারনে যেমন ভোগান্তি পোহচ্ছেন নগরবাসী কিন্তু অন্যদিকে করা হচ্ছে বিদ্যুতের অপচয়। সেটি নগরবাসীর অপচয় নয়, খোদ সিটি কর্পোরেশনের।

যেখানে বিদ্যুৎ নিয়ে জাতীয় ভাবে সতর্কতা অবলম্বন করা হয় সেখানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যূৎ বিভাগের উদাসীনতার কারনে নগরীর একাধিক এলাকায় দিন দুপুরে একটানা জ্বলছে সড়কের দুই পাশের বাতি। এমন অপচয়ে অনেকটা নারাজ নগরবাসী সহ সিলেটের সচেতন মহলের মানুষ।

বাড়তি দামে গ্রাহকদের ক্রয় করতে হচ্ছে বিদ্যুৎ এর মধ্যে লোড শেডিংয়ের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের উদাসীনতার কারনে ব্যাপক লোকসানও গুনতে হচ্ছে সরকারের। এর সম্পূর্ণ দায়ভার পরছে জনসাধারনের। অধিকাংশ সময়ে দেখা যাচ্ছে ভরদুপরে অযথা জ্বলছ সড়ক বাতিগুলো।

শুক্রবার দুপুর ১২টায় কাজীরবাজার সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশের বাতি গুলো জ্বলছে। যদিও ভোর হওয়ার সাথে সাথে সেগুলো বন্ধ করার কথা। দুপুর সাড়ে ১২টায় আবারও গিয়ে দেখা সেগুলো জ্বলছে। শনিবারও সকাল ১০টা ২০ মিটিটে নগরীর বাগবাড়ি এলাকায় এবং সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর মজুমদারী এলাকায় একই রকমে সড়ক বাতি জ্বলতে দেখা যায়। বাতিগুলো বন্ধ করার জন্য কোন পদক্ষেপ নেই। তবে দিনদুপুরে এই বাতি জ্বলার কারন জানেন না সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগ।

এদিকে, নগর ভবনের কর্তাব্যাক্তির অলসতাকে দায়ী করেছেন সচেতন নাগরীকরা। সিলেট কল্যান সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এহসানুক হক তাহের বলেন, তাদের এই উদাসীনতা আর অলসতাই আমাদের দেশের উন্নতির পথে বাঁধা হয়ে কাজ করছে। তাদেরকে আরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। তাদের এই আচরনই প্রমান করে তাদের মধ্যে দেশত্ববোধ ও মূল্যবোধ দুটিরই অভাব। তাদের দায়িত্বশীলতার অভাব এটাই মূল দায়ী। অন্যকিছু এর জন্য দায়ী নয়।

সিলেট সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম বলেন, দিনদুপুরে এভাবে বাতি জ্বলা কোন ভাবেই কাম্য নয়। কেউ আমাকে বলেও নি এই ব্যাপারে। কোন মেইনটেইন্সের এর কারনে এটা হতে পারে। আমি বাইরে আছি যার কারনে সঠিক কারন জানা নেই। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

(আজকের সিলেট/২ ডিসেম্বর/ডি/এসসি/ঘ.)

শেয়ার করুন