আজ মঙ্গলবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

বাহুবলে চার শিশু হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শেষ

  • আপডেট টাইম : July 20, 2017 3:56 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক : হবিগঞ্জের বাহুবলে আলোচিত চার শিশু হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসানের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় বলে জানিয়েছেন আদালতের বিশেষ পিপি কিশোর কুমার কর।

পিপি জানান, আলোচিত চার শিশু হত্যা মামলার বিচার শেষ পর্যায়ে। আগামী ২৫ জুলাই আদালত রায়ের দিন ঠিক করবেন।

গত বছরে ১২ ফেব্রুয়ারি বিকালে মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আব্দুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) এবং আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)।

মনির সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে এবং তার দুই চাচাত ভাই শুভ ও তাজেল একই স্কুলে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত। আর তাদের প্রতিবেশী ইসমাইল ছিল সুন্দ্রাটিকি মাদ্রাসার ছাত্র।

পাঁচ দিন পর ইছাবিল থেকে তাদের বালিচাপা লাশ উদ্ধার হলে দেশজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় নয়জনকে আসামি দিয়ে মামলা করেন মনির মিয়ার বাবা আবদাল মিয়া।

পুলিশ গ্রেপ্তার করে গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল ও তার দুই ছেলেসহ ছয়জনকে। এর মধ্যে আসামি বাচ্চু মিয়া র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন।

কারাগারে আছেন আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, আরজু মিয়া, শাহেদ। আর উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক রয়েছেন।

গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০১৬ বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের পরিবারের বিরোধের জেরে এই হত্যার ঘটনা ঘটানো হয় বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বেরিয়ে আসে।

হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। হবিগঞ্জ আদালতে মামলার ৫৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।

গত ১৫ মার্চ মামলাটি সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হলে আরও সাতজনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।

 

(আজকের সিলেট/২০ জুলাই/ডি/এসটি/ঘ.)

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ