১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩


সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিনব প্রতারণা

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট :

নিজেদের বধির পরিচয় দিয়ে গেল কয়দিন থেকেই সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের চেম্বারে ঘুরে ঘুরে টাকা তুলছিল একদল পুরুষ ।মাঝে মাঝে একজন নারীকেও এই দলের সাথে দেখা মেলে। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করে সিকৃবি প্রক্টরিয়াল বডি।

আটক তিন ব্যক্তিকে তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম লিখতে বলা হলে তারা সেটা লিখতে অস্বীকৃতি জানায়। প্রথমে লিখেতে জানে না বললেও চাপ প্রয়োগের পর তারা নিজেদের নাম কাকুলী, সাইফুল হক এবং ইমতিয়াজ কামরান বলে লিখেছে। ক্যাম্পাসে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা ইতোমধ্যে তাদের কাছ থেকে একজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের নকল কপি উদ্ধার করেছে। কিছু না শোনার অভিনয় করলেও পরবর্তীতে বিপদ টের পেয়ে “আর কখনো এরকম অন্যায় করব না বলে” তপ্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলামের কাছ ক্ষমা চায় তারা।


“সিলেট বধির সংঘ” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্যাড তাদের হাতে থাকে। কারো কাছ থেকে ১০০ টাকা আবার কাছ থেকে ৫০০ টাকা তুলছে এই চক্র। ২৭০ জন বোবা ছেলে ও ৫০ জন বোবা ও প্রতিবন্ধীদের খেলার সরঞ্জামাদি ও সেলাই যন্ত্র কিনো দেবার সাহায্য চেয়ে তারা টাকা তুলছিলো।টাকা সংগ্রহের পর দানকারী ব্যক্তিদের নাম ও টাকার অঙ্কটি লিখে রাখছে আরেকটি কাগজে। কিন্তু কার্যালয় থেকে বের হয়েই তারা টাকার অঙ্কটি বদলে আরেকটি চেম্বারে গিয়ে যখন টাকা দাবী করে; তখন ওই শিক্ষক বা কর্মকর্তার সামনে মিথ্যে টাকার অঙ্ক সম্বলিত কাগজটি প্রকাশ করে আরও বেশি পরিমাণ চাঁদা দিতে অনুপ্রাণিত করছে। এমন সব অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে আসছিল তারা ।

 

চক্রটির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন,প্রতারণার বিভিন্ন আলামত আমরা ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সিলেটের অন্যসব প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক অনুদানের বিষয়ে আরো সচেতন হবার আহবান জানান তিনি।

এএস // আতারা

শেয়ার করুন