আজ মঙ্গলবার, ১লা জুন, ২০২০ ইং

আইন ভেঙে মৌলভীবাজারে ৯ লাখ বাঁশ কর্তন, নিরব বন বিভাগ

  • আপডেট টাইম : August 8, 2017 6:00 AM

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : বনবিভাগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মৌলভীবাজারে অবৈধভাবে ৯ লাখ বাঁশ কর্তনের অভিযোগ ওঠেছে। প্রতি বছর বাঁশের প্রজক্ট বৃদ্ধির জন্য ১৬ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাঁশ কর্তনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আইন লঙ্ঘন করে এ সময়ের মধ্যে ৯ লাখ বাঁশ কেটে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার সাগরনালছড়া বাঁশ মহালে। অবশিষ্ট ১ লাখ ২০ হাজার বাঁশও কেটে সাগরনাল ছড়ার পাশের জুড়ী নদীতে ফেলে রাখা হয়েছে। যা শীঘ্রই অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন জুড়ী এলাকার জুবের আহমদ।

অভিযোগের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এর আগেও একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। যা তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, আগের অভিযোগ তদন্তকালে বাঁশ কর্তনের কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি। নতুন অভিযোগ তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন নিয়মের বাইরে আগেও বাঁশ কটা হয়নি এখনো হচ্ছে না।’

সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জুবের আহমদ উল্লেখ করেন, বন বিভাগের সম্পদ নিয়ম বহির্ভূতভাবে লুণ্ঠন করা হচ্ছে। এক বছরের জন্য বনমহালের জনৈক ইজারাদার মামুনুর রশীদ সাগরনাল ছড়া বাঁশ মহালের বাঁশ কর্তনের ইজারা নেন। কিন্তু বনবিভাগের প্রাকৃতিক বাঁশ মহাল বিক্রয়ের দরপত্র চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ইজারাদার ‘ডিগা’ বাঁশ প্রজক্ট বৃদ্ধিজনিত কারণে বাঁশ কাটার বন্ধ মৌসুমেও কর্তন অব্যাহত রেখেছেন। চলতি মৌসুমে বাঁশ কর্তন বন্ধ থাকার তারিখের ভেতরে তিনি ৯ লাখ বাঁশ কর্তন করেছেন।

এছাড়াও বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে আরো দেড় লাখ বাঁশ কেটে নদীর তীরে ফেলে রাখা হয়েছে। ওই বাঁশগুলো জড়িতে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা অব্যাহত আছে। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, এমন ঘটনায় সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

(আজকের সিলেট/৮ আগষ্ট/ডি/ডিটি/এসটি/ঘ.)

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ