আজ শনিবার, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

বিশ্বনাথে বিদ্যালয় ভবনে ফাটল, ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান

  • আপডেট টাইম : August 21, 2017 6:01 AM

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : বিশ্বনাথ উপজেলার প্রাচীনতম প্রাথমিক বিদ্যাপীঠ সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্টি এবং একটু বৃষ্টি হলেই পানি গড়িয়ে পড়ায় এই ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির পানিতে পাঠদান ব্যাহত হবার পাশাপাশি অফিস কক্ষের জরুরি কাগজপত্র, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার পুরাতন উত্তরপত্র এমনকি দেয়ালে টানানো বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি নষ্টের উপক্রম হয়েছে।

১৯৩৪ সালে আধাপাকা ঘরে যাত্রা শুরু করা সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০০৩-২০০৪ইং অর্থবছরে সরকারিভাবে নতুন ভবন নির্মিত হয়। নির্মাণকাজে অনিয়মের ফলে মাত্র ১২ বছরের মধ্যেই ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

সরেজমিন সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রবেশপথেই একটি পরিত্যক্ত ভবন। পাঠদান চলা ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় অসংখ্য ফাটল। অফিস কক্ষের মেঝেতে জমে আছে পানি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানালেন, ‘বৃষ্টি হলেই ভবনের ছাদ দিয়ে ভেতরে পানি ঝরে পড়ে। মেঝেতে প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি উচ্চতা পরিমাণ বৃষ্টির পানি জমে থাকে।’ এতে শিক্ষার্থীরা যেমন ঝুঁকি নিয়ে পাঠ নেয়, তেমনি ঝুঁকি নিয়ে পাঠ দেন শিক্ষকরাও। শুধু তাই নয়, পানি পড়ার কারণে অফিসের জরুরি কাগজপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র রক্ষাও দায় হয়ে পড়েছে। ভবনটি যে-কোনো সময় ধসে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সমশর মিয়া জানান, প্রায় ৫০বছর ধরে বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যক্ত পড়ে আছে। বর্তমান ভবনটিও পরিত্যক্ত হবার উপক্রম। বিদ্যালয়ে নতুন একটি ভবন নির্মাণ করার জন্যে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহিউদ্দিন আহমদ বলেন, সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে প্রতিবেদন দেবার জন্যে উপজেলা প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম শওকত জানান, এ ব্যাপারে তথ্য নিচ্ছি। প্রাইমারি এডুকেশন ইনফরমেশন নামে একটি সফটওয়ারে আমরা এসব বিদ্যালয়ের ডাটাগুলো দেব। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত হবে কোনো বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণিকক্ষ বা কি পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হবে।

 

(আজকের সিলেট/২১ আগষ্ট/ডি/এমকে/ঘ.)

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ