আজ শুক্রবার, ১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

শাবিতে মশা প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন

  • আপডেট টাইম : April 28, 2019 6:49 PM

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

শাবি : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মশা ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে এসিআই লিমিটেড ও শামস-৯২ (গণসচেতনতামূলক প্রতিষ্ঠান) এর যৌথ উদ্যোগে গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্পেইন শেষে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য ২২৫ কার্টুন মশার কয়েল হল প্রভোস্টদের নিকট তুলে দেওয়া হয়।

রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে মশার কয়েল হস্তান্তরকালে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও ক্যাম্পেইনের উদ্যোক্তা, মশা গবেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. রাশেদ তালুকদার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, ১ম ছাত্রী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আমেনা পারভীন, বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শরীফা ইয়াসমিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এস এম হাসান জাকিরুল ইসলাম, শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান খান, সৈয়দ মুজতবা আলী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জোবাদা কনক খান, রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন, হিসাব পরিচালক আ ন ম জয়নাল আবেদিন, শামস-৯২ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুর রহমান প্রমুখ।

মশা গবেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘আমি মশা গবেষণা নিয়ে ২০০০ সাল থেকে কাজ করছি। আমি দেখেছি, অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে মশার উপদ্রব অনেকটাই বেশি। আমরা যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি, ডোবা নালা অপরিষ্কার রাখি। এর ফলে আমাদের চারপাশ থেকে মশা জন্ম নেয়। বিশেষ করে বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি থেকে এডিস মশা, ডোবা নালা থেকে এনোফিলিস মশা ও ড্রেন, পঁচা ডোবা ও পুকুর থেকে কিউলেক্স ও ম্যানসোনিয়া মশার জন্ম হয়। ফলে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, জিকা, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের সৃষ্টি হয়।’

হল প্রভোস্টদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ‘আবাসিক হলগুলোর আশেপাশে নালা, ড্রেনে বা পঁচা ডোবায় জমে থাকা পানি থেকে মশার জন্ম হয়। এ থেকে আমাদের শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে হলে আগে আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে যাতে আমাদের চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে।’

প্রধান অতিথি বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মশাকে জন্ম নিতে আমরাই সহযোগিতা করি। আমরা যদি আমাদের চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখি তাহলে মশার উপদ্রব কমবে। আর এর জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। ময়লা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।’ এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যেকোন সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে হলপ্রভোস্টদের নিকট আশ্বাস দেন উপাচার্য। এসময় এসিআই ও শামস-৯ কে এ ধরনের এর ক্যাম্পেইন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান উপাচার্য।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ