আজ রবিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

দেশী গরুর, বেশী দাম

  • আপডেট টাইম : July 30, 2019 9:06 AM

উপজেলা প্রতিনিধি, জগন্নাথপুর

সুনামগঞ্জ : পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জগন্নাথপুরে শুরু হয়েছে গরু-ছাগলের হাট। ঈদের বাকী ১৪ দিন, কিন্তু এরই মধ্যে শুরু হয়েছে উপজেলার বাজারগুলো। তবে অন্যান্য বছর পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কোরবানী উপলক্ষ্যে গরু আসলেও এই বছর গরু আসছে না। ফলে উপজেলাবাসীকে কোরবানীর জন্য এবার দেশী গরুর উপর নির্ভর করতে হবে।

এদিকে, বাইরের গরু না আসাতে এবার দাম চড়া দেশীয় গরুর। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গরু প্রতি ১৫-২০ হাজার টাকার বেশী দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ক্রেতাগণ এবার অকাল বন্যায় গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় এই বছর গরুর দাম বৃদ্ধি হওয়াটাও অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন। ক্রেতারা বাজারে গিয়ে গরুর দাম দেখে রীতিমত অবাক। ঈদের আগে বাইরের গরু না আসলে বেশী দামে দেশী গরু দিয়েই এবার কোরবানী করতে হবে জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীকে। ঈদের এখনো ১৪ দিন বাকী থাকায় অনেকে গরুর দাম কম হওয়ার কথা চিন্তা করে এখনো গরু কিনছে না। আবার বাইরের গরু না আসায় ঈদ পর্যন্ত রাখলে আরো ভালো দাম পাওয়ার আশায় গরু সহজে বিক্রি করছে না বিক্রেতারা।

সরেজমিন উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার, রসুলগঞ্জ বাজার, জগন্নাথপুর বাজারসহ বিভিন্ন বাজারের গরু সমাগম লক্ষ্য করা যায়। যত দিন যাবে গরু-ছাগলের দাম বাড়বে বলে আশা করছেন ক্রেতাগণ।

উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারে কুরবানী পশু ক্রয় করতে আসা অনেকে জানান, প্রবাসীরা বিদেশ থেকে টাকা পাঠালে অনেকেই গরু ক্রয় করবেন। আবার উপজেলা জুড়ে কোরবানীর গরুর হাট জমতে আরো কয়েক দিন সময় লাগবে বলে জানান ইজারাদারগণ।

রানীগঞ্জ গরু বাজারের সহ ইজারাদার দিদার আহমদ সুমন বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রানীগঞ্জ বাজারে দেশীয় গরুর সরবরাহ এবং চাহিদা বেশী। তাছাড়া রানীগঞ্জ বাজার জগন্নাথপুরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাজার হওয়াতে এখানে বাইরের ব্যাপারীই বেশী আসে। ঈদ উপলক্ষ্যে বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নিজস্ব পাহারাদার বাহিনীর উপস্থিতির পাশাপাশি পর্যাপ্ত আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ