আজ বুধবার, ৩রা জুন, ২০২০ ইং

নদীর কিনারে আবর্জনার স্তুপ, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে স্থানীয়রা

  • আপডেট টাইম : September 9, 2019 10:52 AM

উপজেলা প্রতিনিধি, দিরাই

সুনামগঞ্জ : দিরাই পৌর সদরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা ৭ নং ওয়ার্ডের আনোয়ারপুর গ্রামে ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোন জায়গা ও ডাস্টবিন নেই। তাই এখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা ময়লা-আবর্জনা ফেলার একমাত্র জায়গা হল গার্লস স্কুল সংলগ্ন নদীর ঘাট।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৭,৮ বছর আগেও এলাকায় পুলিশ চেয়ারম্যানের ঘাট হিসেবে পরিচিত এই ঘাটে আশে পাশের বসবাসকারী লোকজন ও বাজারের মহাজন কর্মচারীরা দলে দলে এ-ই ঘাটে এসে গোসল, কাপড় ধোয়া ও গৃহিণীরা গৃহস্থালি কাজকর্ম ও রান্নাবান্নার পানি এখান থেকেই সংগ্রহ করতেন।

ছোট শিশুরা সাঁতার শিখতো এই নদীর ঘাটে। তবে বর্তমানে এখন আর কেউ ঘাটে দৈনন্দিন কাজকর্ম সারতে পারেন না। ঘাটে ময়লার স্তূপ ও একশ্রেণির গাছ ব্যবসায়ী নদীর ঘাটে বড় বড় গাছ ফেলে রাখাতে ঘাটি বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী।

এই এলাকার বাসিন্দা সোহাগ রেজা বলেন, কিছু দিন আগে আমার বড় ভাইয়ের বিয়ে ছিল তাই নদীর ঘাটটি আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিষ্কার করেছিলাম, কিন্তু ২ দিন যেতে না যেতেই আবার ময়লার স্তূপ জমে গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় থাকা ছোট ছোট ডোবা আর পুকুরগুলো ভরাট করার ফলে এখন আর ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই। তাছাড়া পৌরসভার সৃষ্টিলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য কোন ডাস্টবিন দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়েই স্থানীয়রা ঘাটে ময়লা ফেলেন।

স্থানীয়রা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গার্লস স্কুল সড়কে অতিসত্বর ডাস্টবিন স্থাপন করে দূষণ মুক্ত ওয়ার্ড গড়ে তোলার ও এলাকার একমাত্র নদীর ঘাটটিকে দূষণ ও দখলের হাত থেকে রক্ষা করার দাবি জানান।

এবিষয়ে পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ রায় বলেন, গাছ ব্যবসায়ীদের বার-বার ঘাটে গাছ রাখতে নিষেধ করা হয়েছে। উনারা নিষেধ দিলে কিছুদিন বিরত থাকেন, ফের আবারও ঘাটে গাছ এনে রাখেন।

ঘাটে গাছ রাখা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় কোন আবাসিক এলাকায়ই এখন পর্যন্ত ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়নি। তবে ঘনবসতিপূর্ণ এ এলাকার সমস্যা নিরসনে আমি শীঘ্রই ব্যবস্থা নেবো।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ