আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

ঘাসিটুলায় মসজিদের নাম ব্যবহার করে ভূমি আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : October 8, 2019 8:50 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট : নগরীর ঘাসিটুলায় স্থানীয় মসজিদকে ব্যবহার করে এবং মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মৌরসি ভূ-সম্পত্তি আত্মসাতের চক্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন একই এলাকার বাসিন্দা মো. জাকারিয়া জাকু।

তিনি গতকাল মঙ্গলবার সিলেট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, মসজিদের মোতাওয়াল্লী পরিচয়দানকারী মো. সামছুজ্জামান ও তার সহযোগী আব্দুল করিম, জিলাল, আব্দুল মতিন, দিলাল, ইরান, শাহজাহান চক্র স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন।

লিখিত বক্তব্যে জাকারিয়া জাকু বলেন, ঘাসিটুলা মসজিদের জায়গা নিয়ে আমার কিংবা স্থানীয় ব্যক্তিদের আপত্তি বা অভিযোগ নেই। এসএ খতিয়ান নম্বর ২৩৪ এর ২৩৪০, ২৩৪১, ২৩৪২, ২৩৪৩, ২৩৪৪, ২৩৪৫, ২৩৪৬, ২৩৪৭, ২৩৫৩, ২৩৫৭, ২৩৫৮, ১৭৩৫ নম্বর মোট ১২টি দাগের ভূমির পরিমাণ ৩.৯৫ একর। এই ভূমি রহিম বক্স এর পুত্র আব্দুল গনি, আব্দুল মান্নান, আব্দুল মনাফ প্রত্যেকে ৪ আনা অংশে এবং আব্দুল হেকিম এর পুত্র আব্দুন নুর ৩ আনা ১০ গন্ডা অংশে এবং আব্দুল হেকিম এর স্ত্রী সমীরা বানু ১০ গন্ডা অংশের মালিক স্বত্ববান থাকা অবস্থায় ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইন কার্যকরী হলে ১৯৫৬ সালে সেটেলমেন্ট জরিপ আরম্ভ হয়।

বর্ণিত জরিপে উল্লেখিত ২৩৪ নং খতিয়ানে আমার পূর্ববর্তী আব্দুল মনাফের ৪ আনা অংশসহ অপরাপর শরীকানগনের নাম রেকর্ড ভুক্ত হইয়া বিদ্যমান থাকে। সে মতে আমি আব্দুল মনাফের ক্রমিক উত্তরাধিকারী হিসেবে ৩.৯৫ একর মধ্যে ৪ আনা অংশে আমার সহ শরীকানগণের সহিত শান্তিপুর্ণ ও নিরবিচ্ছিন্নভাবে প্রত্যেকের অংশ আপোষ চিহ্নিত ভাবে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। আমাদের শরীকানদের মধ্যে আইনগত বাটোয়ারার জন্য আদালতে বাটোয়ারা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, ২৩৪০ নম্বর দাগে ১০ শতক ও ২৩৪৪ নম্বর দাগে ১৫ শতকসহ মোট ২৫ শতক ভুমিতে আমার পূর্ববর্তী আব্দুল মনাফের মালিকানা থাকলেও সেখানে মসজিদ থাকায় আমরা কোনকালেও কোন দাবি-দাওয়া উত্থাপন করিনি। বরং মসজিদ কে সর্বোচ্চভাবে সহযোগিতা করে আসছি। তিনি বলেন, আমার ও শরীকানদের ভূমির প্রতি সামসুজ্জামান ও তার সহযোগীদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে। আমাদের অস্বচ্ছলতা ও নিরীহতার সুযোগ নিয়ে আমাদের স্বত্ব দখলীয় ভুমি তারা বেদখল করার উদ্দেশ্যে পবিত্র মসজিদের নাম ব্যবহার করছে। তারা সত্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম জড়িত করে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ