আজ শনিবার, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

গোয়াইনঘাটে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পেল কয়েক শ’ বিঘা জমি

  • আপডেট টাইম : March 14, 2020 8:39 AM

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি : গোয়াইনঘাটে ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ড ইউ/পি সদস্য এবং এলাকাবাসীর উদ্যোগে ১০বছর আগে টেকনাগুল নয়ারভাঙ্গা এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাধে ক্ষতিগ্রস্থ বিশাল অংশ মেরামত করা হয়েছে।

প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ উক্ত বেড়িবাধ অংশটি মেরামতের ফলে বেড়িবাধ ও সড়কের ভিতরে এলাকার কৃষকদের কয়েক শতাধিক বিঘা ফসলি জমি উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ইতিপূর্বে উক্ত স্থানে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল সৃষ্ট ভয়াবহ ভাঙ্গনের ফলে বানের পানি ঢুকে পড়ায় দীর্ঘদিন দিন থেকে কৃষিআবাদে নিরুৎসাহিত হচ্ছিলেন স্থানীয় কৃষকগণ। বিগত ১মাস প্রচেষ্টায় উক্ত নয়ারভাঙ্গা এলাকায় ২শত ফুট লম্বা,পার্শ্ব ২০ফুট,২০ এবং কোথাও কোথাও ৩০ ফুট গভীর এই ভাঙ্গনস্থল মেরামতে স্থানীয় গ্রামবাসী ১লক্ষ ৫০হাজার টাকা দেন।

অবশিষ্ট ৮লক্ষ ৫০হাজার টাকা স্থানীয় ইউ/পি সদস্য ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের অর্থায়নে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয় উক্ত ভাঙ্গনস্থল।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে কথায় হয় টেকনাগুল নয়ারভাঙ্গা এলাকার বাদশাহ্, বিলাল, কেরামত, আল আমিন, মিনহাজ, দুলালসহ গ্রামবাসীর সাথে। তারা জানান,দীর্ঘদিন থেকে উক্ত নয়ারভাঙ্গা বেড়িবাধস্থলের ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় আমরা এলাকার সাধারণ জনগণ ও কৃষক পরিবার কৃষি আবাদে চরম বিপদগ্রস্থ ছিলাম।

মেঘালয়ের ডাউকি ও আশপাশের এলাকা থেকে নেমে আসা বানের পানি স্থানীয় খাল থেকে সরাসরি আমাদের টেকনাগুল নয়ারভাঙ্গার এই ভাঙ্গনস্থল হয়ে স্থানীয় ফসলের মাঠে ঢুকতো। যে কারণে প্রতি বছর বোরো ও ইরি মৌসুমে ফসল বিনষ্ট করতো বন্যার পানি। উক্ত ভাঙ্গনস্থলের এই মেরামত কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আমরা সবাই আশাবাদী এবং ভবিষ্যতে কৃষি আবাদে আমাদের সফলতার হাতছানির সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কামাল হোসেন জানান, জনগণের জন্য কাজ করাই জনপ্রতিনিধির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করেছি এলাকাবাসীর এই সমস্যা সমাধানের। আশা করা যায়,আমার ওয়ার্ডের এই সমস্যায় ভূক্তভোগীরা আর যন্ত্রণা পাবেন না।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ