আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২০ ইং

বিদ্রোহী কবির ১২১তম জন্মজয়ন্তী আজ

  • আপডেট টাইম : May 25, 2020 6:01 AM

আজকের সিলেট ডেস্ক : আজ ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বাংলা; ২৫ মে ২০২০ খ্রিস্টাব্দ সোমবার বিদ্রোহী কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২১তম জন্মজয়ন্তী।

করোনা ভাইরাসে গোটা বিশ্ব মুষড়ে পড়লেও আজ একদিনে দুই খুশি এক হয়ে গেছে। আজ যখন বাংলার ঘরে ঘরে ‘রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ নজরুলের বিখ্যাত সেই গানটি গাওয়া হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, ঠিক এমন এই দিনেই পাল হচ্ছে কবির ১২১তম জন্মজয়ন্তীও। আজ রমজান শেষে তাঁর রচিত গানে গানে খুশির ঈদ এসেছে, একইদিনে এসেছে কবির জন্মদিনও।

বিশেষ এ দিনটিকে ঘিরে প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিল্প-সংস্কৃতির অঙ্গনে নানা আয়োজন করা হলেও এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে নজরুল জন্মজয়ন্তীতে তেমন কোনও আয়োজনই থাকছে না।

ভার্চ্যুয়াল নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে জন্মোৎসব। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্মিত ‘জাগো অমৃত পিয়াসী’ শীর্ষক আনুমানিক ৫০ মিনিটের একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আজ বেলা ১১টা বা নিকটতম সময়ে বিটিভিসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে একযোগে সম্প্রচারিত হবে বলে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সঙ্গে নাচ করেছেন দেশ-বিদেশের নৃত্যশিল্পীরা।

ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষে এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাশরী আর হাতে রণতূর্য নিয়ে বাংলা সাহিত্যে নজরুলের আবির্ভাব হয়েছিল। প্রেমে, বিরহে কিংবা বিদ্রোহে নজরুল তাঁর অমূল্য সৃষ্টিকে ছাড়িয়ে গেছেন প্রতিনিয়তই। গেয়েছেন সাম্যের গান। নারীকে করে গেছেন বিজয়লক্ষ্মী।

এদিকে জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ; ১৮৯৯ সালের ২৫ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম। বাবা কাজী ফকির আহমেদ ও মা জাহেদা খাতুন। শৈশব থেকেই নজরুল বাস্তব জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তাঁর সমগ্র সাহিত্যে ধ্বনিত হয়েছে শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তির বারতা।

স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭২ সালে তৎকালীন সরকার কাজী নজরুলকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।

১৯৭২ সালে তৎকালীন সরকার তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র; ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবি। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। এখানেই ঘুমিয়ে আছেন মানবমুক্তির চির বিদ্রোহী কবি।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ