আজ বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

আঞ্চলিক নাটকে মামু বশিরের দুই যুগ

  • আপডেট টাইম : September 13, 2020 8:41 AM

কামাল আহমেদ দূর্জয় : ১৯৯৪ সালে রাসেল আহমদ পরিচালিত ‘মামু বশির’ নাটক দিয়ে রূপালি পর্দায় অভিষিক্ত হন নাগর মিটু। সে সময় মামু বশির নাটকটি দেশ ব্যাপী আলোচনায় আশে। মিডিয়া জগতে সে সময় অতিসহজেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেন ‘মামু বশির’ নাটকের নাগর মিটু।

এর পর একে একে অভিনয় করেছেন ১০০ টিরও বেশি নাটকে। অভিনয়ের পাশাপাশি কণ্ঠশিল্পী হিসবেও দর্শকরা তাকে পর্দায় পেয়েছে বেশ কয়েক বার। দেখতে দেখতে নাগর মিটু নাটকের ক্যারিয়ার দুই যুগ পের হয়ে এখন তিন যুগের মাতায়।

তার অনেক গুণী পরিচালকের সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে দীর্ঘ কর্মজীবনে। তিনি বাংলাদেশ চলচিত্র অধিদপ্তরের প্রাণ মিডিয় অঙ্গণের সকলের শ্রদ্ধেয় প্রয়াত পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম,পরিচালক আনিসুজ্জামান শামীম,বাবু সরকার,এম.কামরুল চৌধুরী,সেলিম নাট্যকার, লোকমান আহমদ,শবনম পারভীন।

এছাড়া অভিনয় করেছেন বর্তমান সময়ের সিলেটি জনপ্রিয় অভিনেতা সাহেদ মোশারফ, মহিউদ্দিন টিপু নানা,কাজী আয়েশা রুনা, মাহবুব আহমদ, জয়নাল আবেদীন পলাশ (বুরু মিয়া) সহ- অনেক গুণী অভিনেতা দের সাথে।

মামু বশির ওরফে নাগর মিটু বলেন, দীর্ঘ এ কর্মজীবনে মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই আমার। বিশেষ করে আমার ওস্তাদজি লিটন ও বেশ কয়েকজন আছেন, যাদের সহযোগিতা না পেলে এতদূরপথ পেরিয়ে আসতে পারতাম না। এছাড়া অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছির আমার দর্শকের ভালোবাসা।

এছাড়া নতুন বেশ কয়েকটি নাটক সামনে নিয়ে আসছেন নাগর মিটু। এই গুণী অভিনেতা সর্বমোট ১০০ নাটকে অভিনয় করে সবার কাছে অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন ইতিপূর্বে।

সিলেটি আঞ্চলিক নাটককে জনপ্রিয় করে তুলতে এবং বিস্তার ঘটাতে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদেও এগিয়ে আশার আহ্বান জানিয়ে নাগর মিটু বলেন, আমার মতে নাটক শুধু সংস্কৃতি কিংবা বিনোদন নয়, একটা জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করে এই ভালোমানের নাটক। তাই এই শিল্পের উন্নয়নে শিক্ষিত সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ