আজ শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

এমসি কলেজে গণধর্ষণের মূল কারণ ৫০ হাজার টাকা

  • আপডেট টাইম : September 29, 2020 6:27 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে নববধূকে গণধর্ষণের মূল কারণ পঞ্চাশ হাজার টাকা। নির্যাতিতার স্বামী জানিয়েছেন, ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিল অভিযুক্তরা। তারা বলে, ৫০ হাজার টাকা না দিলে তোর স্ত্রী ও তোর সমস্যা হবে। আমি তখন তাদেরকে ২ হাজার টাকা আছে বলি। এরপর তারা ৫০ হাজার টাকা না পেয়ে গণধর্ষণ করে।

এদিকে, গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরো তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। যে তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন মামলার এজহারভুক্ত আসামি মাহবুবুর রহমান রনি, সন্দেহভাজন আসামি রাজন ও আইনুদ্দিন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট মহানগর হাকিম দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম, সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।তবে শুনানিকালে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

ঘটনার শুরু শুক্রবার এমসি কলেজের ফটকের সামনে থেকে। ফটকের ভেতরের মাঠে অনেকে বেড়াতে যান। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই দম্পতিও সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলেন। রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে স্বামী গিয়েছিলেন সিগারেট কিনতে। ফিরে এসে দেখেন, স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করছেন কয়েকজন তরুণ। স্বামী প্রতিবাদ করলে মারধর করে তাদের কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে ওই তরুণেরা। টাকা না দিতে পারায় দুজনকে গাড়িসহ জোর করে তুলে নিয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে।

এরপর এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মোট নয়জনের বিরুদ্ধে ওই তরুণীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় যে ছয়জনের নাম উল্লেখ করেছেন, তারা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। এই ছয়জন হলেন সাইফুর রহমান (২৮), তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ (২৮), শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫), রবিউল ইসলাম (২৫) ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম (২৫)।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ