আজ শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

জৈন্তা মহিলা মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন ‘বহিষ্কৃত’ সুপার!

  • আপডেট টাইম : September 30, 2020 1:16 AM

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি : জৈন্তা ইসলামিক সোসাইটি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ঐহিত্যবাহী জৈন্তাপুর উপজেলার একমাত্র মহিলা দাখিল মাদ্রাসা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সদ্য বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল গাফ্ফার কর্তৃক ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এটি নিয়ে আইনী প্রদক্ষেপে যাচ্ছেন জৈন্তা ইসলামিক সোসাইটির কর্মকর্তাবৃন্দ।

জানা যায়, সোসাইটি ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল আহাদ, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও সহ সভাপতি এবং সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালিক, কমিটির সহ সভাপতি ও সোসাইটির সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রহমান সহ মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সুপার (তৎকালীন) আব্দুল গাফফারের উপস্থিতিতে ও স্বাক্ষরে গত ২২ আগষ্ট অনুষ্ঠিত মাদ্রাসা পরিচালনাকারীর সভায় গঠিত ৫ সদস্যের অডিট কমিটির কাছে মহিলা মাদ্রাসার হিসাব-নিকাশ, ক্যাশ বুক, খাতাপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। এমনকি বার বার নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও উক্ত আব্দুল গফফার এর কৃত আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, অপেশাদার সুলভ অপতৎপরতা ও শৃঙ্খলাহীনতার কারণে কমিটি গত ১৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। এবং আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কর্তৃপক্ষ বরাবরে যাবতীয় টাকা-পয়সা, কাগজপত্র, ফাইল ও অফিসের সামগ্রী ক্যাশবুক ইত্যাদি জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়ে তাকে অব্যাহতিপত্র দেয়া হয়।

এর পর দিন ২০ সেপ্টেম্বর তিনি এই অব্যাহতিপত্র গ্রহণ করেন। অন্যদিক ইতিমধ্যে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি প্রবীন আলেমে দ্বীন মাওলানা আব্দুল মালিককে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

জৈন্তা ইসলামিক সোসাইটি সংশ্লিষ্টরা জানান, এঘটনার পর পরই আব্দুল গফফার তার কৃত অর্থনৈতিক কেলেংকারী থেকে বাঁচার জন্য এবং মহিলা মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এরই অংশ হিসেব মহিলা মাদ্রাসার সাথে সম্পর্কহীন কিছু ব্যক্তিকে ভুল বুঝিয়ে নিজে সুপার সেজে হেটে হেটে নাম-স্বাক্ষর সংগ্রহ করে মাদ্রাসা বন্ধকালীন সময়ে আহবায়ক কমিটি নামে একটি বিভ্রান্তিকর ও এখতিয়ারবিহীন অগ্রহণযোগ্য ভূয়া কমিটি গঠন করেছে, যা ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ।

বিষয়টি নিয়ে জানতে জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার সদ্য বহিষ্কৃত ও অভিযুক্ত সুপার আব্দুল গফফারের সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইনবক্সে মেসেজ দিলেও তিনি কোন সাড়া দেননি।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে জৈন্তার কতিপয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ জৈন্তা ইসলামিক সোসাইটি নামে একটি সংস্থা গঠন করে অত্র মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে সুনামের সাথে অদ্যাবদি পরিচালনা করে যাচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ