আজ বুধবার, ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

দ্রুত ওজন কমাতে মানতে হবে যেসব নিয়ম

  • আপডেট টাইম : October 22, 2020 10:20 AM

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের অনেকেরই কম বেশি ওজন বৃদ্ধির সমস্যা আছে। আমাদের ওজন বৃদ্ধি হওয়ার মূল কারণ আমাদের খাদ্যাভ্যাসের ওপরই অনেকটাই নির্ভর করে। খাদ্যাভ্যাসে সঠিক নিয়ম মেনে না চললে ওজন বৃদ্ধি পায়। আর ওজন বৃদ্ধি পেলে আমাদের চিন্তার শেষ থাকে না।

যদি আপনি অধিক ক্যালোরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন এবং ঠিকমত শরীরচর্চার মাধ্যমে যদি ক্যালোরি খরচ না করেন, তাহলে দিনশেষে ওজন কিন্তু বেড়েই চলবে। কিন্তু আপনি কী খাচ্ছেন, আর তারচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপনি কোন সময়ে খাবারটা গ্রহণ করছেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এই খাবারের নিয়ম সম্পর্কে। প্রতিবেলায় সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না, এজন্য নিয়ম মেনে খাবার খাওয়া প্রয়োজন। সকাল, দুপুর ও বিকেলে প্রতিবেলা খাবারের আলাদা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

ওজন কমাতে এবং সর্বোচ্চ উপকার পেতে প্রধান তিনবেলা খাবারে কখন কী খাওয়া উচিত চলুন দেখে নেওয়া যাক

সকালের নাস্তা
দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হিসেবে ধরা হয় সকালের নাস্তাকে। যার মাধ্যমে আমাদের মেটাবোলিজম কাজ শুরু করে এবং সারাদিন চলার শক্তি যোগায়। প্রোটিন, কার্বস এবং ফ্যাট জাতীয় খাদ্য সকালের নাস্তার জন্য উপযোগী। তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, ডিনার এবং ব্রেকফাস্ট করার আগ পর্যন্ত কমপক্ষে ১২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, সকালে কুসুম গরম পানি পানের ১৫ মিনিট পর নাস্তা করা এবং দিনশেষে ডিটক্স পানি পান করা।

দুপুরের খাবার
অনেকের কাছে পেটপুজোর অন্যতম সময় হলো দুপুরের খাবার, তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম প্রভাব ফেলে এই দুপুরের খাবার। যদি খুব বেশি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে না চান তাহলে দুপুরের খাবারে সেগুলো রাখতে পারেন। কিন্তু খুব অল্প পরিমাণে যাতে আপনার ক্ষুধা নিবারণ হয়।

রাতের খাবার
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাতের খাবার খেয়ে নিন। রাতে ঘুমানোর ২-৩ ঘণ্টা আগে ডিনার করে নেয়া উচিত যা আপনার শরীরের ক্যালোরি খরচ করতে সাহায্য করবে। বলা হয়ে থাকে যে, বদহজম হওয়ার অন্যতম কারণ রাতের খাবার খাওয়ার সাথে সাথে বিছানায় শুয়ে পড়া। ভরাপেটে ঘুমাতে যাওয়া ওজন কমানো এবং বিরামহীন ঘুমের বাঁধার কারণও বটে। যদি আপনি ওজন কমাতে চান তাহলে রাত ৮:০০ টার মধ্যে ডিনার করে ফেলুন। যার ফলে আপনার শরীরের ক্যালোরি বার্ন হবে এবং ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক থাকবে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ