আজ শনিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

লাইসেন্স প্রদানে অনিয়ম দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর  নির্দেশ

  • আপডেট টাইম : October 22, 2020 5:04 PM

আজকের সিলেট ডেস্ক:প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে ঘুষ দুর্নীতি এবং চালকের মাদকশক্তি প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণে জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।

একইসঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটলেই আইন হাতে তুলে নেওয়ার মানসকিতা পরিহার এবং সকলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান ও পুণর্ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের সময় ভালভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যেন, ভালমত সে ড্রাইভিংটা জানে কি না বা টাকা দিয়ে যেন কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দেয়া নির্দেশে বলেন, ‘আপনাদের আরেকটা বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে, যারা গাড়ি চালাচ্ছে তারা মাদক সেবন করছে কি না। ডোপ টেস্ট বা মাদক সেবনের বিষয়ে পরীক্ষা করা দরকার। প্রতিটি ড্রাইভারের এই পরীক্ষাটা একান্তভাবে অপরিহার্য্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুর্ঘটনা ঘটলেই চালককে সব দোষ দিয়ে তাকে প্রহার করা বা প্রহার করতে করতে করতে মেরে ফেলার মত, আইন হাতে তুলে দেওয়ার যে সংস্কৃতি দেশে রয়েছে তা সবাইকে ত্যাগ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বলেন, ‘দেশে ট্রাফিক  আইন মেনে চলার বিষয়ে নাগরিক সচেতনতাটা আমাদের খুব বেশি প্রয়োজন।

‘আমাদের পথচারিদের মধ্যে নাগরিক সচেতনতার খুব অভাব রয়েছে। আমরা মুখে খুব বলে টলে যাই কিন্তু কাজের বেলায় দেখি পাশেই ফুটওভার ব্রীজ অথচ রাস্তার মধ্যখান দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। একটা গাড়ি আসছে অথচ হাত দেখিয়েই অমনি হাঁটা দিল কিংবা  দেখা যাচ্ছে, বাচ্চা কোলে নিয়ে বাবা ফুটওভার ব্রীজ ব্যবহার না করে রাস্তার বেড়া দেওয়া ডিভাইডার অবৈধভাবে অতিক্রম করছে।

তিনি বলেন, গাড়িটা একটা যন্ত্র কাজেই ব্রেক কসলেও থামতে একটু সময় লেগে যায়। হাত দেখালেই থেমে যেতে পারে না।’

এই বিষয়েও মানুষ, চালকসহ সকলকে সচেতন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ প্রদান করেন।

তিনি উদহারণ দেন-ব্যক্তির নিজের ভূলে সে দুর্ঘটনা শিকার হলেও অনেক সময় অহেতুক চালককে, সরকারকে বা সড়ককে দোষ দেওয়া হয়। তা নিয়ে আন্দোলন হয় এবং সরকারের পদত্যাগও দাবি করা হয়, যদিও প্রকৃত দোষটা কার সেটা বিবেচনা করা হয় না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যত্র তত্র যেখানে সেখানে রাস্তা পারাপার বন্ধ করতে হবে এবং ট্রাফিক রুলস সবাইকে মেনে চলতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ