আজ শনিবার, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

আশিক মিয়ার শখের খামারের আয় কোটি টাকা

  • আপডেট টাইম : December 30, 2017 5:55 AM

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : বাড়ির পাশের ফাঁকা জায়গায় নির্মিত একটি শেডে রাখা হয়েছে একাধিক গাভী ও বাছুর। আরেকটি শেডে রয়েছে ষাঁড়। ঘরের পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করছেন আশিক মিয়া। খাবার খাওয়াচ্ছেন গাভী ও বাছুরকে। আরেক দল কর্মচারী ব্যস্ত স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে গাভীর দুধ দোহনে।

উপজেলার দেওকলস কজাকাবাদ গ্রামে আশিক মিয়ার খামার। শুরুটা শখের বশে হলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে সফল তার খামারে ব্যবসা। আশিক মিয়া জানালেন তার সাফল্যের কথা। তার এমন সাফল্য দেখে গরু পালনে উৎসাহী হয়ে উঠছেন উপজেলার বেকার তরুণরাও।

আশিক মিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, পরিবারের দুধের চাহিদা মেটাতে ২০১১ সালে ফিজিয়ান জাতের একটি গাভী পালন থেকেই তার পথচলা শুরু। পরে শখের বশে কিনতে থাকেন আরও গাভী। এভাবেই বাড়তে থাকে গাভীর সংখ্যা। বর্তমানে ১২টি খামারে ৩০টি গাভী, ১০টি ষাঁড় ও সমপরিমাণ বাছুর রয়েছে। অর্ধলক্ষ টাকা বিনিয়োগে শুরু করা খামারের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ কোটি টাকা। বছরে আয় করছেন প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

আশিক মিয়া বলেন, খামারে বর্তমানে কর্মসংস্থান হয়েছে ছয়জনের। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে গড়া তার খামারে বর্তমানে ৩০টি গাভী, ১০টি ষাঁড় এবং সমপরিমাণ বাছুর রয়েছে। অর্ধলক্ষ টাকা বিনিয়োগে শুরু করা খামারের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ কোটি টাকা। এছাড়া প্রতিদিন প্রায় ২৭৫ লিটার দুধ বিক্রি করেন তিনি। দুধ দোহনে তার ফার্মে ব্যবহার করছেন স্বয়ংক্রিয় মেশিন।

বিশ্বনাথ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, আশিক মিয়ার খামার যুবসমাজের জন্য আদর্শ হতে পারে। তার খামার ব্যবস্থাপনায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করায় সফলতার মুখ দেখছেন। আশিক মিয়ার সফলতা অনুপ্রাণিত করছে বেকার যুবকদের। তারাও গ্রামীণ জনপদে খামার গড়ে তোলার জন্য পরামর্শ নিচ্ছেন।

(আজকের সিলেট/৩০ ডিসেম্বর/ডি/এমকে/ঘ.)

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ