২৭ জুন ২০২২


ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে বন্যার্তদের পুনর্বাসন করবে সরকার : হানিফ

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ এমপি বলেছেন, যখন দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয় তখন সরকারের প্রথম কাজ থাকে মানুষকে প্রাণে বাঁচানো। তারপর সরকার কার কী ক্ষতি হলো সেটি খুঁজে বের করে। এবারেও সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে- বন্যা পরবর্তী সময়ে ইউনিয়নভিত্তিক মানুষের ঘরবাড়ি, ক্ষেত-খামার ইত্যাদি বিষয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে। সরকার তার সাধ্য অনুযায়ী পুনর্বাসনসহ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।

সোমবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বৃহত্তর সিলেট এবারে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। আগামীতে যে এমন বন্যা আসবে না তা বলা যায় না। তাই এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ ও ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের নদীমাতৃক দেশে ৫৪টি নদীর অববাহিকা রয়েছে। আর আমরা সবগুলো নদীর ভাটিতে। তাই বেশিরভাগ নদী দিয়ে উজানে থাকা ভারত ও চীন থেকে পানি নেমে আসে। আর পানি যখন আসে তখন প্রচুর পলি এসে নদীগুলো ভরাট হয়ে যায়। তাই এই ৫৪টি নদীকে ড্রেজিং করে গভীর করা খুবই চ্যালেঞ্জিং বিষয়। তারপরও আমাদের বর্তমান সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এ উদ্যোগ নিয়েছে। গত ১০ বছরে ৫ শতাধিক ড্রেজার মেশিন কেনা হয়েছে। নদী খননের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে, এদিকেও শুরু হবে।

হানিফ বলেন, ভারতের নদীগুলো থেকে হঠাৎ করে ঢল নেমে এই অঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে পানি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে স্থায়ী সমাধানের পথ বের করতে হবে। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে এ বিষয়ে অবহিত করবো।

তিনি আরও বলেন, একসময় বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক নেতিবাচক কথা হতো। সেই বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর কারণ একমাত্র আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় লিডারশিপ। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্যই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে একটি মর্যাদার জায়গায়। তাঁর জন্যই পদ্মা সেতুর মতো একটি বিস্ময় বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছে। এটি শুধু একটি সেতুই নয়, এটি আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাক জাকির হোসেন ও জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোটেক নাসির উদ্দিন খান।

শেয়ার করুন