দেবস্মিতার কৃষি সাংবাদিকতার গল্প
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৬

দেবস্মিতার কৃষি সাংবাদিকতার গল্প

----------------

প্রকাশিত: ২৪/০৬/২০২৪ ০৫:৪২:৩৬

 দেবস্মিতার কৃষি সাংবাদিকতার গল্প


গোলজার আহমদ হেলাল:  কৃষি বিজ্ঞানের মেধাবী শিক্ষার্থী দেবস্মিতা। হয়ে উঠেছেন কৃষি সাংবাদিক। চষে বেড়াচ্ছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও থানার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় উড়িষ্যা রাজ্যের  বিভিন্ন জায়গাসহ অন্যান্য স্থানেও গমন করছেন কৃষি সংবাদের কাজে। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া একজন উদীয়মান তরুণী কিভাবে কৃষি সাংবাদিকতায় পথচলা শুরু করেছেন, তাঁর জার্নি কিরূপ তা সবিস্তারে তুলে ধরছি এ প্রতিবেদনে।

সাংবাদিক কন্যা দেবষ্মিতা অনেক চড়াই-উৎরাই, ঘাত-প্রতিঘাত ও প্রতিবন্ধকতা মাড়িয়ে সাহস নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন গণমাধ্যমের বিশেষায়িত এ অঙ্গনে। তাঁর পড়াশোনা কৃষিবিজ্ঞান ও কৃষিবিদ্যা বিভাগে হওয়ায় অত্যন্ত সাবলীলভাবে তথ্য সমৃদ্ধ কৃষি সম্পর্কিত খবর তুলে ধরেছেন মানুষের কাছে। অসাধারণ উপস্থাপনা, বাচনভঙ্গি, সুমিষ্ট কন্ঠ ও জ্ঞানগর্ভ সংবাদ প্রতিবেদন কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি কাজে অগ্রগতির পাশাপাশি কৃষক ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

পিতামাতার একমাত্র সন্তান দেবস্মিতার সাথে আলাপকালে জানা যায়, ছোটবেলা বাবার কৃষি সংবাদ টিভি চ্যানেলে দেখে আকর্ষণ, পড়াশোনার সময় কৃষি সাংবাদিকতা সাবজেক্ট থাকায় আরো উৎসাহ,করোনাকালে ঘরে ঘরে কৃষিকাজ পৌঁছে দিতে কৃষিবার্তা চ্যানেল চালু, মেইনস্ট্রিম মিডিয়া, অনলাইন কিংবা সোস্যাল মিডিয়ার খবরে কৃষি বিষয়ক খবর গুরুত্ব না পাওয়া,ছোট থেকে কৃষির প্রতি ভালোবাসা,তা থেকে কৃষি নিয়ে পড়াশোনা, সেই পড়াশোনার বা ভালোবাসার জায়গা থেকে সর্বোপরি দেশের সিংহভাগ মানুষের পেশা যেখানে কৃষি সেখানে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার লক্ষ্যে কৃষি সাংবাদিকতার জার্নি শুরু করেছি।

 সচরাচর সাংবাদিকতায় নারীদের এমনিতেই কম দেখা যায়, (যদিও বর্তমানে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও মিডিয়ায় আসছেন)সেক্ষেত্রে কৃষি সাংবাদিকতায় মহিলা সাংবাদিক নেই বললেই চলে। দেবস্মিতার সাংবাদিকতা গণযোগাযোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাঁর সাথে এ প্রতিবেদকের কথোপকথন নিম্নে তুলে ধরা হলো:

১) আপনি কেমন আছেন?
দেবস্মিতা :জ্বি। ভালো। আপনি কেমন?

২)আপনার ব্যক্তিগত পরিচয় দিন?নাম,পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা, ভাই-বোন কতজন?
দেবস্মিতা:আমার পুরো নাম - দেবস্মিতা মন্ডল।
পিতার নাম - দেবাশীষ মন্ডল,  পেশা-সাংবাদিক।(১৯৮৮ সাল থেকে বিভিন্ন কাগজ, ১৯৯৯ সাল থেকে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে, সাধারণ খবরের পাশাপাশি 24 বছর ধরে কৃষি সংবাদ 'অন্নদাতা' প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত, টিভি চ্যানেল)
মাতার নাম - সন্ধ্যা মন্ডল, গৃহবধূ।
ঠিকানা -- গ্রাম - মছলন্দপুর, থানা গোবরডাঙ্গা, জেলা - উত্তর ২৪ পরগনা, রাজ্য - পশ্চিমবঙ্গ, দেশ - ভারত।
ভাই বোন - নেই।

৩)আপনার লেখা-পড়ার বিবরণ দিন? সন, তারিখ উল্লেখ করে?
দেবস্মিতা:পড়াশোনা....
মাধ্যমিক - হাবরা কামিনী কুমার গার্লস হাই স্কুল, ২০১৬, প্রাপ্ত নম্বর- ৭৩%
উচ্চ মাধ্যমিক - রাজবল্লভপুর হাই স্কুল, বিজ্ঞান বিভাগ-২০১৮, প্রাপ্ত নম্বর - ৭৯%
স্নাতক - বিষয় (কৃষিবিজ্ঞান), কলেজ- দ্যা নিউটিয়া ইউনিভার্সিটি, রাজ্য- পশ্চিমবঙ্গ, প্রাপ্ত নম্বর - ৭৯%, ২০১৮-২০২২.
স্নাতকোত্তর(M.sc Agriculture) - বিষয় - Agronomy, কলেজ - সেঞ্চুরিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি এন্ড ম্যানেজমেন্ট, রাজ্য - উড়িষ্যা, প্রাপ্ত নম্বর - ৮০%, ২০২২-২০২৪.

৪)আপনার সাংবাদিকতার জার্নি বিস্তারিত বলুন।
দেবস্মিতা:আমার সাংবাদিকতার জার্নি হল - ছোটবেলা থেকে বাবার কৃষি সংবাদ টিভি চ্যানেলে দেখে এর প্রতি আকর্ষণ।
(বাবার একটা কৃষি বার্তা ওয়েবসাইট ছিল, তখন অবশ্য ইউটিউব ছিল না, বেশ কয়েক বছর চলার পরে বন্ধ হয়ে যায়, তখন আমি স্কুলে পড়ি,
পরবর্তীকালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর কৃষি বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু, কৃষি বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনার সময়  কৃষি সাংবাদিকতা নিয়ে একটা সাবজেক্ট ছিল। সেটা আমার ছিল।
পরবর্তীকালে করোনাকালীন সময়ে ২০২০ সালে যখন প্রতিটি ঘরে ঘরে সোশ্যাল মিডিয়া পৌঁছে গেছিল, ঠিক সেই সময় কৃষি কাজকেও প্রতিটি ঘরে পৌঁছানোর জন্য  youtube কৃষি বার্তার চ্যানেলটির সূচনা হয়। আমাদের চারিপাশে কৃষকরা কিভাবে কৃষি কাজ করেন, কোন চাষটি কিভাবে করা সম্ভব, কৃষকরা কৃষিকাজে সাহায্যের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবেন, নতুনভাবে কিভাবে চাষ করা সম্ভব এছাড়াও কৃষি কাজের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ নিয়ে শুরু হয় কৃষিবার্তা চ্যানেল। প্রথমে ইউটিউব দিয়ে জার্নি শুরু হয়, পরবর্তীতে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে কৃষি বার্তা জনপ্রিয়তা লাভ করে। শুধুমাত্র স্বল্প জায়গাতেই নয়, ভারতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বাংলাদেশসহ সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কুয়েত বিভিন্ন দেশে কৃষিবার্তা বর্তমানে পৌঁছে গেছে।

বর্তমানে ইউটিউবে গ্রাহক সংখ্যা ২৫ হাজার পার করেছে এবং ফেসবুক পেজে গ্রাহক সংখ্যা ৪১ হাজার পার করেছে।

৫)কৃষি সাংবাদিকতা আপনার প্রিয় কেন? কৃষি সাংবাদিকতার সমস্যা ও সম্ভাবনা গুলো কি কি?
দেবস্মিতা:আমার কৃষি সাংবাদিকতা প্রিয় হওয়ার কারণ - সোশ্যাল মিডিয়ায় বা টিভির পর্দায় চোখ রাখলে আমাদের পারিপার্শ্বিক থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন খবর আমরা দেখতে পাই কিন্তু যেখানে দেশের 70% মানুষ কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত সেখানে কৃষির খবর আমরা প্রায় দেখতে পাই না বললেই চলে। আর সেজন্যই কৃষিকাজ সম্পর্কে মানুষের ধারণা অনেকটা কম। ছোট থেকে কৃষির প্রতি ভালোবাসা থাকায় কৃষি নিয়ে পড়াশোনা আর সেই পড়াশোনা বা ভালোবাসা জায়গাটা প্রতিটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই কৃষি খবরকে বেছে নেওয়া। কেমন ভাবে আমাদের দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত সেই ধারণা আশেপাশের প্রতিটি মানুষের মধ্যে তৈরি করার উদ্দেশ্যেই কৃষি সাংবাদিকতাটা বেছে নেওয়া।

কৃষি সাংবাদিকতার সমস্যা ও সম্ভাবনা - ভারত কৃষিনির্ভর দেশ হলেও কৃষি সংবাদ নিয়ে ভাবনা খুব একটা দেখা যায়না, এই কৃষি নিয়ে ভাবনা কম থাকার জন্যই সঠিক তথ্য অনেকক্ষেত্রেই প্রকাশিত হয় না। প্রথম সারির নিউজ চ্যানেল থেকে খবরের কাগজ গুলোতে কৃষি নিয়ে খুব স্বল্প পরিমাণে আলোচনা হয়, যার দরুণ বর্তমানে কৃষি সাংবাদিকতার চাহিদা অনেক কম।
প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়ার চাহিদা বাড়ছে এবং প্রত্যন্ত গ্রামেও প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বর্তমানে বেশ কিছু কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তা লাভ করছে তাই আশা করা যায় ভবিষ্যতে বিভিন্ন নতুন এবং আধুনিক কৃষি পদ্ধতি আরো মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিতে কৃষিসংবাদিকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

৬)একজন নারী সাংবাদিক হিসাবে আপনার অভিমত ব্যক্ত করুন, সাংবাদিকতা করতে নারীদের কি কি সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়?
দেবস্মিতা:নারী সাংবাদিক হিসেবে অভিমত এবং সমস্যা - পুরুষের পাশাপাশি বর্তমানে মহিলা সাংবাদিক থাকলেও, কৃষিতে মহিলা সাংবাদিক খুব একটা দেখা যায় না বললেই চলে, কারণ কৃষি সাংবাদিকতা মানেই মাঠে-ঘাটে কাঁদা জলে জমিতে নেমে কাজ করা, সেক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে অনীহা দেখতে পাওয়া যায়। নারী কৃষি সাংবাদিক হিসাবে বিশেষ করে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না কারণ আমি মনে করি নিজের ইচ্ছে থাকলে সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব, তাই এখনো পর্যন্ত বিশেষ কোনো সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়নি। তবে কৃষি সংবাদ করতে গেলে যেহেতু দূরদূরান্তে মাঠে-ঘাটে যেতে হয় সেখানে পরিবহন ব্যবস্থা অনেক সময় থাকে না অনেক সময় মাইলের পর মাইল হেঁটে যেতে হয়।

৭).আপনার জন্মতারিখ, বয়স, ভাষা,জাতীয়তা সম্পর্কে জানতে চাই?
দেবস্মিতা:আমার জন্ম তারিখ -৮/৫/২০০০ইং
বয়স - ২৪ বছর
ভাষা - বাংলা
জাতীয়তা - ভারতীয়

৮).বাংলাদেশকে কেমন ভালোবাসেন?
দেবস্মিতা:বাংলাদেশ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ, একসময় আমার পূর্বপুরুষেরা বসবাস করতেন খুলনা জেলার তালা থানা এলাকার ধোপালি বা বলরামপুর গ্রামে,
 স্বাভাবিকভাবেই একটা টান এখনো রয়ে গেছে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষি প্রোগ্রাম আমাকে উৎসাহিত করে। বাংলাদেশ কৃষিতে অনেক এগিয়ে গেছে যেটা দেখে আমার খুব ভালো লাগে।

৯).সাংবাদিকতায় একটি স্মরণীয় ঘটনা বলুন।
দেবস্মিতা:কৃষি খবর করতে গিয়ে অনেক স্মরণীয় ঘটনা রয়েছে- ২০২২ সালে একটি ভাসমান হাঁসের খামারের খবর করতে গিয়ে প্রায় হাফ কিলোমিটার রাস্তা হাঁটু পর্যন্ত কাঁদার মধ্যে থেকে হেঁটে গিয়ে সেই খামারে পৌঁছেছিলাম এবং সফলভাবে প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করেছিল এবং একইভাবে ফিরে এসেছিলাম। পরে সেই খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এবং অনেক মানুষ ফোন করে জানিয়েছিলেন এই খবরটি একদম তাদের কাছে নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা, আরো অনেক নতুন জিনিস জানতে পেরেছেন তারা প্রত্যেকে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমার কষ্টটা সার্থক মনে হয়েছিল এবং এই ঘটনাটি সারা জীবন স্মরণীয় ঘটনা গুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে থাকবে।

১০)কৃষিবার্তা কোন ধরনের গণমাধ্যম? আপনি কোন পদে কর্মরত আছেন?কৃষিবার্তা ছাড়াও আর কোন গণমাধ্যমে কাজ করছেন কি না?
দেবস্মিতা:কৃষি বার্তা একটি কৃষি সংক্রান্ত সামাজিক গণমাধ্যম। কৃষি বার্তা ছাড়া, পশ্চিমবঙ্গের একটি জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা (এই সময় পত্রিকা) কৃষি নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে গুরুত্ব সহকারে, এছাড়া জনপ্রিয় একটি কৃষিপাক্ষিক সংবাদপত্র (সবুজ সোনা) পত্রিকায় নিয়মিত খবর প্রকাশিত হয়।

১১)আপনার ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা কি? কিভাবে ক্যারিয়ার গড়তে চান।
দেবস্মিতা:কৃষি নিয়ে ভবিষ্যতে আরো গবেষণা করতে চাই এবং কৃষি বার্তায় আরও নতুন নতুন বিষয় যোগ করে সামাজিক মাধ্যম হিসাবে কৃষিবার্তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই যাতে প্রতি ঘরে ঘরে কৃষি সম্পর্কিত খুঁটিনাটি তথ্য পৌঁছে যায়।

১২)আপনার শখ কি কি?লেখাপড়া ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি আর কি করেন? আপনি তো নাচ ও গান করেন।এসম্পর্কে কিছু বলুন।
দেবস্মিতা:শখ -নতুন তথ্য জানা, নাচ,গান, বই পড়া, ছবি তোলা। লেখাপড়া ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি নাচের চর্চা করা হয় , বিশেষত কত্থক নাচের চর্চা করে থাকি। ছোট থেকেই নাচের প্রতি আমার বিশেষ আকর্ষণ তাই এখনো প্রতিমুহূর্তে চেষ্টা করি নাচের আরও নতুন কিছু শেখার।

১৩)আপনার প্রিয় মানুষ কে?
দেবস্মিতা:আমার প্রিয় মানুষ অবশ্যই আমার মা-বাবা।

১৪)পড়াশোনা,সাংবাদিকতার পেছনে কার অবদান বেশী?
দেবস্মিতা:পড়াশুনা সাংবাদিকতার পেছনে বাবা-মা দুজনের অবদানই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ফটো দেখে ঠিক ভুল বিষয়ে প্রতিটি খুঁটিনাটি, জীবনে এগিয়ে চলার পথে প্রয়োজনীয় সমস্ত কিছুই শেখা তাদের হাত ধরে।

১৫)তরুণদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন?
দেবস্মিতা:বর্তমান প্রজন্মকে এটাই বলার জীবনে বিভিন্ন প্রতিকূলতা আসলেও থেমে না থেকে এগিয়ে যেতে হবে। যে জিনিসটার প্রতি আগ্রহ রয়েছে সেই জিনিসটা নিয়ে এগোলে জীবনে মজার সাথে কাজটা করা যেমন সম্ভব হবে তেমনি অন্যদিকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতেও যাত্রাপথ সহজ হবে।

১৬)আপনাকে ধন্যবাদ।
দেবস্মিতা:জ্বি,আপনাকেও ধন্যবাদ।

আজকের সিলেট/ডি/এপি

সিলেটজুড়ে


মহানগর