কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জের পর্যটন এলাকা সাদা পাথরে নজিরবিহীন লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেদনটি দাখিল করেছে দুদক অনুসন্ধান টিম। এতে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ছয় কর্মকর্তা এবং জেলা ও থানা পুলিশের শীর্ষ দুই কর্মকর্তা ছাড়াও সাদাপাথর লুটে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ও বর্ডার গার্ড বিজিবিকেও দায়ী করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগ তুলে দুদক। এছাড়া এঘটনায় চারটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ ৪২ জন পাথরলুটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয় দুদুকের প্রতিবেদন। এ তালিকায় বিএনপির ২১ জন, আওয়ামী লীগের সাত এবং জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি দুজন করে নেতার নাম রয়েছে। আছে মাদরাসা শিক্ষক ও ব্যবসায়ীসহ ১০জনের নাম।
দুদকের প্রতিবেদনে বিভাগীয় কমিশনারকে দায়ী করে বলা হয়, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী ৮ জুলাই তার কার্যালয়ে পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, পরিবহণ শ্রমিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ সময় তিনি বলেন, সারা দেশে পাথর উত্তোলন করা গেলে সিলেটে যাবে না কেন? এর সঙ্গে মানুষের জীবন ও জীবিকা জড়িত। তার এ বক্তব্যটি বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত হলে সাদা পাথর লুটপাটে ব্যাপক উৎসাহ জুগিয়েছে।
সরকারিভাবে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকলেও তার এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে পাথর লুটপাটকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে তিনি রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, পরিবহণ শ্রমিক ও রাজনৈতিক নেতাদের অবৈধ স্বার্থরক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি









