ওসমানীনগরে দাফনের ১৭ দিন পর জীবিত উদ্ধার হলো কিশোর
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:২১ PM

ওসমানীনগরে দাফনের ১৭ দিন পর জীবিত উদ্ধার হলো কিশোর

সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২৩/০৮/২০২৫ ০৮:২০:৩৬ PM

ওসমানীনগরে দাফনের ১৭ দিন পর জীবিত উদ্ধার হলো কিশোর


ওসমানীনগরে দাফনের ১৭ দিন পর এক কিশোরকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪)। সে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের গদিয়ারচর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে। 

শনিবার হবিগঞ্জের নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয় বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ।

কুলাউড়া থানার ওসি মো. গোলাম আফছার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে উদ্ধারের পর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য নাঈমকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে নাঈম জীবিত থাকলেও এই ঘটনায় ইতিমধ্যে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হয়ে কারাগারে রয়েছেন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী বুলবুল ফকির। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারের ব্রাহ্মণগ্রামে বুলবুল ফকিরের রেস্টুরেন্টে কাজ করত নাঈম। গত ২৪ জুলাই হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। এ ঘটনায় নাঈমের মা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরই মধ্যে গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার হয়। পরিবার সেই লাশকে নাঈমের বলে শনাক্ত করে এবং ৫ আগস্ট দাফনও সম্পন্ন করে। পরে নাঈমের পরিবার কুলাউড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুল ফকিরকে প্রধান আসামি করা হয় এবং তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন।

তদন্ত করতে গিয়ে কুলাউড়া থানার এসআই মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমকে তার আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এসময় কিশোরের মা ও মামা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, মিথ্যা অপবাদের কারণে একজন নিরপরাধ মানুষকে জেল খাটতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাঈমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুঠুফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। 

এসআই মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘তদন্তের অংশ হিসেবে নাঈমকে জীবিত উদ্ধার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি

সিলেটজুড়ে


মহানগর