হাওরের ভাসমান পানিতে পোনা মাছ অবমুক্ত
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৬:০০ PM

হাওরের ভাসমান পানিতে পোনা মাছ অবমুক্ত

সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ০৩/০৯/২০২৫ ০৫:৪৩:২৯ PM

হাওরের ভাসমান পানিতে পোনা মাছ অবমুক্ত


‘আজকের পোনা, আগামী দিনের মাছ—পোনা মাছ ধরলে হবে সর্বনাশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের হাইল হাওরের ভাসমান পানিতে রুই, কাতলা ও মৃগেল প্রজাতির মোট ৩৪ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার সকালে হাওর রক্ষা আন্দোলন কমিটির উদ্যোগে এই পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাওর রক্ষা আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক আ স ম ছালেহ সোহেল এবং সঞ্চালনা করেন নির্বাহী সদস্য শাহীন ইকবাল। এ সময় স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যজীবীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানভীর হোসেন, সহকারী পরিচালক (মৎস্য) মো. শাহ নেওয়াজ সিরাজী, প্রকৌশলী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা এনসিপি নেতা অ্যাডভোকেট ফাহাদ আলম, হাওর রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব এম. খসরু চৌধুরী এবং নির্বাহী সদস্য আলমগীর হোসেন ও খিজির মোহাম্মদ জুলফিকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হাওর হলো মৎস্য ভান্ডার। জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রকৃত মালিক দেশের জনগণ। এসব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং সুষম বণ্টনের দায়িত্ব সরকার ও প্রশাসনের। হাওরের পরিবেশ, উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনগণকে সামাজিকভাবে সচেতন হয়ে নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, হাওরের পোনা মাছ নিধন বন্ধ করতে হবে। হাওরের বিল, খাল ও নদী দখল ও দূষণমুক্ত রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই হাওরগুলো প্রকৃতির কিডনি। হাওর ধ্বংস করা মানেই প্রকৃতির কিডনি নষ্ট করা, পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করা। এর ফলে ঘন ঘন বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিতে পারে।

বক্তারা সতর্ক করে বলেন, দেশের প্রচলিত ভূমি ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে হাওরে যেকোনো ধরনের শিল্পায়ন এ অঞ্চলে মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। মানবসৃষ্ট এসব বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে জনসচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর