সিলেট–তামাবিল মহাসড়কে জৈন্তাপুর উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু করিচর ব্রিজ এলাকায় প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে আগত পর্যটকবাহী এশিয়া ট্রান্সপোর্ট-এর একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-২৮৪৭) ও একটি ডিআই পিকআপ ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন এবং অন্তত ২০ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
নিহতদের মধ্যে একজন নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ গ্রামের নূরুল হক নুরার ছেলে মো. জিহাদ (২০)। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মিরপুর-৭ থেকে ছেড়ে আসা একটি সাদা হাইস মাইক্রোবাস জাফলং অভিমুখে যাওয়ার পথে ৭ নম্বর কূপ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাসটি রাস্তার পাশে একটি দোকানের বারান্দায় উঠে যায়। এ সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা আনসার সদস্য মোস্তফাকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এই ঘটনায় সিএনজির ৪ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়।
সিলেট–তামাবিল হাইওয়ে থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং মহাসড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এসটি
ইমাম উদ্দিন, জৈন্তাপুর থেকে 








