১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৪ AM

১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩/০১/২০২৬ ০২:৩১:১২ PM

১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর আবার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে দেশটি এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার অংশ হিসেবে ট্রাম্পের প্রশাসন এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

গত সোমবার পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ভিসা বাতিলের তালিকায় প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী এবং বিশেষায়িত পেশার ২ হাজার ৫০০ জন কর্মীও আছেন।

পররাষ্ট্র দপ্তরের উপমুখপাত্র টমি পিগট ভিসা বাতিলের ক্ষেত্রে চারটি প্রধান কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অতিরিক্ত সময় থাকা, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরি। তিনি বলেন, এই ভিসা বাতিলের সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পোস্টে আরও বলা হয়, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকায় নাম থাকার বিষয়টি অধিকাংশ মানুষের ভিসা বাতিল হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। তবে এসব ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত নয়।

এত বেশিসংখ্যক মানুষের ভিসা বাতিলের মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, গত বছর হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্প অভিবাসীদের ওপর যে দমননীতি শুরু করেছিলেন, তা কতটা ব্যাপক।

ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, তারা ২৫ লাখের বেশি মানুষের স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ কিংবা জোরপূর্বক বিতাড়িত হওয়ার ঘটনা তত্ত্বাবধান করছে। একে একটি ‘রেকর্ডভাঙা অর্জন’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে এর মধ্যে বৈধ ভিসা থাকার পরও কিছু মানুষকে বিতাড়িত করা হয়েছে। এতে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে আরও কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া কঠোর করা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিসর বাড়ানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখার জন্য আমরা এ ধরনের অপরাধীদের বিতাড়িত করার কাজ অব্যাহত রাখব।’

পররাষ্ট্র দপ্তরের উপমুখপাত্র টমি পিগট ভিসা বাতিলের ক্ষেত্রে চারটি প্রধান কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অতিরিক্ত সময় থাকা, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরি। তিনি বলেন, এই ভিসা বাতিলের সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আজকের সিলেট/এএসআর

সিলেটজুড়ে


মহানগর