গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারসহ ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একইসঙ্গে জেলা সদর হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপও কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়- দেশের বিভিন্ন জেলার মোট ৪১৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সিলেট জেলার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সিলেটের বাকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো হচ্ছে- সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, জকিগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, ফেঞ্চুগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ।
এদিকে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সরকারের এই মহতি উদ্যোগের ফলে আমার নির্বাচনি দুই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এটি বাস্তবায়ন হলে দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের কষ্ট করে জেলা শহরে ছুটে না গিয়ে কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
এমপি আরও বলেন, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা উপকরণ নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগের সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। একই সঙ্গে জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপও কমে আসবে।
আজকের সিলেট/এপি









