সিলেটে একটি প্রাইভেটকার থেকে ১২ বস্তা এবং একটি ডিআই পিকআপ থেকে ৩৫ বস্তা ভারতীয় চোরাই চিনি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- মনিরুজ্জামান সোহাগ (৩০) ও নাজিম আহমেদ (২৫)।
বৃহস্পতিবার জৈন্তাপুর থানা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বুধবার রাত ৩টার দিকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের চেকপোস্টে প্রাইভেটকারটি ধরা পড়ে। এর আগে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আটক করা হয় ডিআই পিকআপটি।
পুলিশ জানায়, জৈন্তাপুর থানার চেকপোস্টে এই প্রথম প্রাইভেটকারে চোরাই চিনি ধরা পড়েছে।
সাধারণত পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপে নজরদারি থাকায় ভিন্ন কৌশলে চোরাই চিনি পরিবহন করতে প্রাইভেটকার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে ধারণা পুলিশের।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার রাতে কারফিউ পরিস্থিতিতে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের একটি অস্থায়ী চেকপোস্টে সাদা প্রাইভেটকার থামানো হয়। এটিতে তল্লাশি করে ১২ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ করা হয়। এ সময় মনিরুজ্জামান সোহাগ নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
এর আগে রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে চেকপোস্টে একটি ডিআই পিকআপ থামালে সেটি তল্লাশি করে ৩৫ বস্তা ভারতীয় চোরাই চিনি জব্দ করা হয়। এ সময় নাজিম আহমেদ নামের এক যুবককে আটক করা হয়।
জৈন্তাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফুল আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার জৈন্তাপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। আটক দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চোরাই চিনিবাহী দুটি গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।’
সিলেটে চোরাই চিনি ধরপাকড়ে প্রায় দুই মাসের ধারাবাহিক অভিযানে পণ্যবাহী যানের দিকে চোখ ছিল পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এই নজরদারি এড়াতে এবার প্রাইভেটকারে চোরাই চিনি পরিবহন করা হচ্ছিল।
আজকের সিলেট/ডি/এপি









