মৌলভীবাজারে ভারী বর্ষণ ও ভারতের পানি কমতে শুরু করেছে। এতে জেলায় সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। তবে ভোগান্তিতে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, সোমবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় মনুনদের চাঁদনীঘাট পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার এবং ধলাই নদী রেলওয়ে ব্রীজে পানি ৩৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে জেলার রাজনগর উপজেলার কামারচাক, মনসুরনগর ও টেংরা ইউনিয়ন ও কমলগঞ্জ উপজেলার বেশকিছু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে এসব পানি কাউয়াদিঘি হাওরাঞ্চলে প্রবেশ করে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা। এখনও ঘরছাড়া মানুষ আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে কিংবা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। এতে করে বানভাসি মানুষেরা আছেন চরম দুর্ভোগে।
কামারচাক ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা আক্ষেপের স্বরে বলেন, বন্যায় অনেকেই ছুটে গেছেন আশ্রয়কেন্দ্রে, কেউবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে। তবে ঝুঁকি জেনেও পানির মধ্যেই বেশিরভাগ মানুষ থেকে গেছেন। তারা ভোগান্তির মধ্যেই লড়াই করছেন।
তারা জানান, আশ্রয়কেন্দ্রে যারা গেছেন, তারা সহায়তা পাচ্ছেন। তবে যারা বাড়িতে আছেন তাদের অনেকেই সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাট এলাকার বাসিন্দা জুবায়ের মিয়া জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় নিম্নাঞ্চলের এলাকাগুলো এখনও প্লাবিত। অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সড়কে পানি রয়েছে। তবে উজানের অবস্থা কিছুটা ভাল।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানান, বিভিন্ন জায়গায় নদীর বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ স্বেচ্ছাসেবীরা নিজ উদ্যোগে কাজ করছেন।
আজকের সিলেট/ডি/এপি
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি 








