সিলেটে ৭দিনের ব্যবধানে নিখোঁজ রয়েছেন দুই শিক্ষার্থী। তাদের একজন নগরী থেকে এবং অপরজন জেলার বিশ্বনাথ থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ মাহি আক্তার (১৭) সিলেট নগরীর শেখঘাট এলাকার নাজিম উদ্দিনের মেয়ে। তিনি মির্জাজাঙ্গল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও সাজু মিয়া (১৬) সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহরের দক্ষিণ মিরেরচর গ্রামের রুসমত আলীর ছেলে। তিনি বিশ্বনাথ মাদানীয় মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) সিলেট নগরীর কোতোয়ালী মডেল থানা ও বিশ্বনাথ থানায় দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট বিকাল থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বিশ্বনাথ পৌর শহরের সাজু মিয়া (১৬)। এ ঘটনায় সন্ধান চেয়ে তার তার বাবা বিশ্বনাথ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরির (জিডি) আবেদন করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের দিন অন্যান্য দিনের মতো বিকেল ৩টায় বাড়ি থেকে বের হয় সাজু মিয়া। পরে সন্ধ্যার পরও ফিরে না আসায় তাকে খুঁজতে শুরু করে পরিবার। পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও সন্ধান মিলেনি তার।
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানাপুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্ত চলছে। সন্ধান চেয়ে ইতোমধ্যে থানায় থানায় পাঠানো হয়েছে বিশেষ বার্তা। তাকে খুঁজে বের করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ।
এদিকে, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাবার সঙ্গে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে গত ১৯ আগস্ট থেকে নিখোঁজ রয়েছেন মাহি আক্তার। এ ঘটনায় ২০ আগস্ট সিলেট কোতোয়ালী মডেলে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে তার পরিবার।
নিখোঁজ ছাত্রীর বড়ভাই রাজিব আহমদ জানান, গত ১৯ আগস্ট (সোমবার) সকালে বাবাকে নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলো সে। পরে তাকে হাসপাতালের নিচতলা রেখে দুইতলায় গিয়েছিলেন বাবা। পরে তিনি ফিরে আর তাকে (মাহি আক্তার) পাওয়া যায়নি। আমরা সব জায়গায় খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু পাইনি। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরীও করেছি। কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুনু মিয়া বলেন, থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
আজকের সিলেট/ডি/এপি









