শত বছরের উর্ধে পুরনো এই রেলওয়ে জংশন কাগজে - কলমে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ আধুনিকায়ন রি- মডেলিং জংশনে বাস্তবে এখনো দেখা মিলে নি গভীর নলকূপের পানির সেবা । প্রতিদিন শত শত ট্রেন যাত্রী সহ রেল কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং অপেক্ষা মান যাত্রীরা।
জানা যায় , তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার আমলে আসাম বেঙ্গল নির্মিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনটি রি- মডেলিং করার টেন্ডার হয় । ফলে ২০০৫ সালে ঐতিহ্যবাহী শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনটি রি- মডেলিং স্টেশন সংস্কার হলেও বাস্তবে এখনো দুটি প্লাট ফর্মে নেই কোনো গভীর নলকূপ। তবে গভীর নলকূপ জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ।
এদিকে রি- মডেলিং স্টেশনে যাত্রীদের বিশ্রামগারে টয়লেট রুম রয়েছে কিন্তু সময় মত টয়লেট থাকে না পানি । টয়লেট থাকে দুর্গন্ধ । এসব টয়লেট দুর্গন্ধের কারণে রেলওয়ে পার্কিং এরিয়া পাবলিক টয়লেট টাকা দিয়ে ব্যবহার করছে । জন প্রতি প্রশ্রাব ৫ টাকা, গোসল বা টয়লেট করা ১০ টাকা দিতে হচ্ছে । অনেক যাত্রীদের টাকা নেই কিন্তু তারা পড়ছে মহাবিপদে । এই গভীর নলকূপ না থাকায় অনেক অসুস্থ যাত্রী ভোগান্তি হলেও কাহারো কাছে বলার নেই । নাম প্রকাশ্যে হবিগঞ্জ শহর ও চুনারুঘাট শহরের কয়েকজন রেল যাত্রী এ প্রতিনিধিকে বলেন , বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি ট্রেন যাত্রীদের সেবা মূলক রেল স্টেশন ও যাত্রী ট্রেন গুলো দায়িত্ব রেলওয়ে বিভাগের কর্মকর্তা -কর্মচারী থেকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ। একসময় শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন স্টেশন গুলোতে যাত্রীরা অনেক সুযোগ সুবিধা সেবা পেয়ে যেত কিন্তু বর্তমানে বাস্তবে এখন নেই । রেলওয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ অবহেলায় শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে রি- মডেলিং জংশন যাত্রীরা পানি সেবা পাচ্ছে না ।
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( পূর্ত ) বিভাগের কর্মকর্তা এবং উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) বিভাগের কর্মকর্তারা যাত্রীদের সর্বদিক সেবা দেওয়ার দায়িত্ব থাকলেও তারা শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে বরাদ্দকৃত বাসা ও অফিস ফেলে দিয়ে আখাউড়া রেলওয়ে অবস্থান করছেন এবং তাদের নিম্ন শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে রেলওয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম করে। মাস আসলেই বেতনের টাকা নিয়ে যাচ্ছে । স্টেশন মাস্টার পলাশ দাশ বলেন, আমি নতুন আসছি কিন্তু রেলওয়ে দুটি গভীর নলকূপ হলে খুবই ভালো হয় । অনেক ট্রেন যাত্রী এসে আমাকে জিজ্ঞেস করে। এ বিষয়ে কোনো উত্তর দিতে পারি না ।
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পূর্ত) বিভাগের কর্মকর্তা ও রেলওয়ে পানির পাম্প চালক দেখার বিষয় । আমার উর্ধতন স্যার রয়েছে কিন্তু আপনারা জিজ্ঞেস করুন । আমি এ বিষয়ে কথা বলার কোনো অনুমতি নেই । তবে আমি চেষ্টা করবো ।
আজকের সিলেট/ডি/এপি
সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর (হবিগঞ্জ) শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি 








