গোয়াইনঘাটে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১০:২৭ PM

গোয়াইনঘাটে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, গোয়াইনঘাট থেকে

প্রকাশিত: ০৭/০৯/২০২৪ ০২:১০:২৮ AM

গোয়াইনঘাটে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক


আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন গোয়াইনঘাটের নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের কৃষকরা। এরমধ্যে চারা রোপন সহ জমি প্রস্তুতের কাজ চলছে পুরোদমে। আগাম সবজি চাষে বেশি টাকা আয় করা সম্ভব সেই দিক বিবেচনা করে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। আর এসব সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে নতুন করে অনেক কৃষকের।

জানা যায়, গত কয়েক বছর থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলার নতুন নতুন অঞ্চলে বেড়েছে আগাম শীতকালীন সবজির চাষ। আর এসব চাষাবাদ করে বাড়তি টাকাও আয় করা সম্ভব হচ্ছে। তাছাড়া আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা থেকেই বেশি আবাদ করা সম্ভব। গত বছরের মতো আবহাওয়া থাকলে এ বছরেও লক্ষ্যমাত্রার চাইতে বেশি অর্জিত হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, চলতি মৌসুমে বন্যায় এ অঞ্চলের কৃষকরা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেসব কাটিয়ে উঠতে বেশ কিছু এলাকার কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করার জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছেন। প্রতিদিন এসব জমিতে পরিচর্যা করছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাও এলাকায় গেলে কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা হয়। তারা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগাম জাতের সবজির উৎপাদন ভালো হবে। এসব জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে শশা টমেটো, ফুলকপি, বাঁধা কপিসহ শীতকালীন শাকসবজি রোপণের জন্য। শীতের আগেই যদি এসব সবজি আবাদ করা যায় তাহলে বাজারের দাম বেশি পাওয়া যায়। সেই চিন্তা মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন কৃষকরা।

গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাঁও এলাকার কৃষক শামীম আহমেদ বলেন, গত বছর অন্যদের দেখাদেখি আমি অল্প জায়গায় শীতকালীন সবজি চাষ করে লাভবান হয়েছি।এ বছর একক ভাবে চার বিঘা জমিতে টমেটো, শসা,মিষ্টি কদু কাজ করবো।জুলাই মাসে প্রস্তুত করে রেখেছি।এখন চারা রোপনের জন্য গর্ত করে বিভিন্ন ধরনের জৈব সার দিয়ে রাখছি।আগামী সপ্তাহে চারা রোপন শুরু করবো।

শামীম বলেন,আগাম সবজি চাষ করলে বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। এজন্যে গত কয়েক বছর থেকে প্রতিনিয়ত এ অঞ্চলের কৃষকরা আগাম সবজি চাষে ঝুকছেন। এতে লাভবান হচ্ছেন অনেকে। এসব সবজি চাষে যত্ন অনেক বেশি নিতে হয়। তাছাড়া এসব সবজিত চারা, গাছ বিভিন্ন রোগ আক্রান্ত হয়, সেসময় বিভিন্ন কীটনাশক সবজিতে দিতে হয়। সেক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা তাদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে থাকেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি, এ সপ্তাহের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হবে। তবে গত বছরের মতোই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বন্যার মতো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা আগাম সবজি চাষে লাভবান হবেন। গত বছরের ন্যায় এ বছরও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর