কোন ছুটি ছাড়াই বেশিরভাগ সময় প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকেই নিজের ইচ্ছে খুশি প্রতিষ্ঠানে করেন আসা যাওয়া।সপ্তাহে দুই-তিন দিন কয়েক ঘন্টার বেশি প্রতিষ্ঠানে ঠিকেন না তিনি। প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকেও ঠিকঠাক ভাবেই করেন হাজিরা খাতায় সাক্ষর।
এমন অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাও.জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে।
গণমাধ্যমের অনুসন্ধানেও মিলেছে এমন অনিয়মের সত্যতা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে নাগিয়েও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার প্রমাণ উঠে আসে।
ঐ এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি নোয়াগাঁও দাখিল মাদ্রাসায় সুপার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নানান অজুহাতে তিনি প্রতিষ্ঠান ফাঁকি দেন। পরবর্তীতে আবার একসাথে হাজিরা খাতায় একাধিক দিনের স্বাক্ষর করেন তিনি। প্রতিষ্ঠান প্রধান হওয়ায় কোন শিক্ষক তার বিরুদ্ধে কথা বলেন না। কথা কাজের অমিল, প্রাতিষ্ঠানিক হিসাবের মধ্যে বেমিল রয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির এক শিক্ষক।
মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসায় গিয়ে সুপারকে না'পেয়ে মুঠোফোনে কথা'হয় প্রতিবেদকের সাথে। তিনি ছাত্র না'থাকায় যোহরের সময় চলে গেছেন বলে জানান। পরবর্তীতে আর এমন হবে'না বলে ফোন কেটেদেন মাদ্রাসার সুপার।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুল কবিরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, উনার ব্যাপারে আপনাদের মাধ্যমে অবগত হলাম।তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি উজ্জ্বল রায় বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করার কোন সুযোগ নেই।নোয়াগাঁও দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এপি
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








