ইসলামে মজুদদারি ও মুনাফাখোরি হারাম
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫২ AM

ইসলামে মজুদদারি ও মুনাফাখোরি হারাম

খলিলুর রহমান

প্রকাশিত: ২০/০৩/২০২৪ ০১:৩২:৫৫ AM

ইসলামে মজুদদারি ও মুনাফাখোরি হারাম


নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে রেখে অথবা তা বাজার থেকে তুলে নিয়ে দাম বাড়ানোর নাম মজুদদারী এবং ইসলামে এ কাজ সম্পূর্ণ অবৈধ। হানাফি মাজহাব মতে মাকরূহে তাহরিমি (হারাম সমতুল্য) হলেও অন্যান্য মাজহাব মতে এটি সম্পূর্ণ হারাম। এ ধরনের কাজে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অনেক মানুষ দুর্ভোগে পড়ে। তাদের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। তাই ইসলাম এ প্রকার কাজকে হারাম ঘোষণা করেছে। 

এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য মজুদ রাখে, আল্লাহপাক তার ওপর দরিদ্রতা চাপিয়ে দেন।

(আবু দাউদ-৫৫)।

ব্যবসায়িক পণ্য বিক্রি না করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বর্ধিত মুনাফা আদায়ের প্রচেষ্টা বা মজুদদারীএকটি সামাজিক অপরাধ। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে খাদ্যশস্য গুদামজাত করে সে অভিশপ্ত। (ইবনে মাজাহ)।

তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি ৪০ দিনের খাবার মজুদ রাখে, সে আল্লাহর জিম্মা থেকে বেরিয়ে যায়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ২০৩৯৬)।

অন্য হাদীসে এসেছে : ‘যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য গুদামজাত করে সে অপরাধী। (আল মু’জামুল কাবির :১০৮৬)।

তবে গুদামজাত পণ্য যদি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু না হয় কিংবা মানুষ এর মুখাপেক্ষী না হয় অথবা এসব পণ্য চাহিদার অতিরিক্ত হয় বা গুদামজাতকারী বর্ধিত মুনাফা অর্জনের অভিলাষী না হয়, তাহলে এসব অবস্থায় পণ্য মজুদ রাখা অবৈধ নয়।

লেখক : বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবীদ ও বার্তা সম্পাদক, আজকের সিলেট ডটকম।

সিলেটজুড়ে


মহানগর