হবিগঞ্জে
মো. আলী হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর মামলায় ১ জনের ফাঁসি ও অপর ৩ জনের
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেক আসামীকে ৫ লাখ
টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জের
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. আজিজুল হক এ রায় ঘোষণা
করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামীরা পলাতক থাকলেও খালাস পাওয়া একজন আদালতে
উপস্থিত ছিলেন। নিহত মো. আলী হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগআছড়া গ্রামের হাজী
আলতাব আলীর পুত্র। ফাসির আদেশ প্রাপ্ত সাইদুর রহমান ছায়েদ বাহুবল উপজেলার
গুহারোয়া গ্রামের মতিন সর্দারের পুত্র ।
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা
হলো, বাহুবল উপজেলার বশিনা গ্রামের মৃত আনছব উল্লার পুত্র মো. মর্তুজ আলী,
মৌলভী বাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার শ্যামলী আবাসিক এলাকার মৃত আব্দুল
কাদিরের পুত্র খোকন মিয়া ও বাহুবল উপজেলার কিরবাসই এলাকার কাজী চনু মিয়ার
পুত্র কাজী এমরান মিয়া। এছাড়াও কোন অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আব্দুর রউফ
নামে এক ব্যক্তিকে খালাস দেয়া হয়েছে আর মৃত জনিত কারণে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে
মাহবুবুল আলম ও আব্দুল্লাহ মিয়া নামের দুই ব্যক্তিকে। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট পারভীন আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র
জানায়, ২০০৮ সালের ১৩ জুলাই মোঃ আলী নামে ওই ব্যক্তি হবিগঞ্জ শহরের ব্যাংক
থেকে মোট ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে কদমতলী স্থানে
তার গতিরোধ করে একদল দুর্বৃত্ত। এসময় কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে ধারালো
অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে টাকা লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে মোঃ আলীকে
উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
মৃত ঘোষণা করেন। পরে এ ঘটনায় নিহতের পিতা হাজী আলতাব আলী বাদী হয়ে ৭ জনের
বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে দীর্ঘ
১৬ বছর পর রায় ঘোষণা করেন আদালত।
রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট পারভীন আক্তার সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আজকের সিলেট/বার্তা/কে.আর









