বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনের ফলে সোমবার শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ত্যাগে দুপুরের পর থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ৭ বারের সংসদ সদস্য ড. আব্দুস শহীদ এর বাসা এবং বাগান বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাঙ্গচুর করা হয়েছে। কমলগঞ্জ থানা ও শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি শূন্য থাকায় চরম আতঙ্ক, উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর উপজেলার শহরে আনন্দ মিছিল বের হয়। এসময় উত্তেজিত জনতা থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সাবেক কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহিদের বাসভবনে হামলা চালিয়ে বাসার গেট, চেয়ার ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। পরে শ্রীমঙ্গল শহরে আওয়ামী লীগের নেতাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়।
একইভাবে কমলগঞ্জে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার মোরাল ভাঙ্গচুর করা হয়। কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গচুর, পৌরসভা কার্যালয়ে গিয়ে মোরাল ভাঙ্গচুর, উপজেলা চৌমুহনায় ময়না চত্বর, মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে, উপজেলা ছাত্রলীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা ভবনে ভাঙ্গচুর করা হয়। মাধপুরের পারোয়াবিল এলাকায় বাবুল রোজক এর মুরগীর খামার লুট করা হয়েছে। উত্তেজিত জনতা কমলগঞ্জ থানা ও শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতেও হামলার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাদের প্রতিহত করেন। এসব ঘটনায় কমলগঞ্জ থানা এবং শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কোন পুলিশ সদস্যদের দেখা যায়নি।
এদিকে পাত্রখোলা চা বাগানে এক চা শ্রমিক নারীর লাশ পাওয়া গেছে। তবে লাশ উদ্ধারে পুলিশের কাউকে পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। থানায় কেউ নেই, তালা দেয়া রয়েছে।
আজকের সিলেট/বার্তা/কে.আর
সংবাদদাতা 








