সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার লায়েছ ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পশুরহাট বহাল রাখার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ।উল্লেখ্য পশুর হাটের অর্জিত অর্থে চলে শিক্ষক/কর্মচারীদের সম্মানী প্রদান।সপ্তাহের প্রতি শনিবার বসে গবাদিপশুর হাট।
সোমবার সাড়ে এগারোটার সময় হাজারের অধিক উপস্থিতিতে "আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাঁচান"এইপ্রতিপাদ্যে লায়েছ ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের মাঠে এলাকার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে শিক্ষক,কর্মচারী,অভিভাবক ও ছাত্র/ছাত্রীগন মানববন্ধনে অংশনেন।
মানববন্ধনে অংশনেয়া ব্যাক্তিগন বক্তব্যে বলেন,এলাকার একটি মহল বিগত ২৮শে জানুয়ারী সাতুর নতুন বাজারে মানববন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে পশুরহাট বন্ধকরার দাবী তুলেছিল। পরথেকেই পশুরহাটটি বন্ধ হয়ে যায়।যার দরুন হুমকীতে পরেছে "লায়েছ ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি"কেননা পশুর হাটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস।এইপ্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় প্রায় সাতশত শিক্ষার্থী রয়েছেন।বিগত এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ সফল ও ২০২৫সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা অত্রপ্রতিষ্টানেই অনুষ্ঠিত হবে।
লায়েছ ভূইয়া কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে লায়েছ ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২৭জন শিক্ষক/কর্মচারী রয়েছেন।যাঁদের বেতন/সম্মানী দেয়ার একমাত্র উৎস এই পশুর হাট।পশুর হাটটি বহাল রাখার জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে জোরালো দাবী জানিয়েছেন প্রতিষ্টানের শিক্ষক,শিক্ষিকা,অভিভাবক সহ এলাকার জনসাধারণ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোঃশাহীন উদ্দীন, সহাকারী শিক্ষক আলী হোসেন, অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, প্রভাষক মামুন মিয়া, রিপন মিয়া, অভিভাবক ফজু মিয়া, শামসুন্নাহার, কবিতা আক্তার, শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার, মরিয়ম আক্তার, সুস্মিতা বানাই, মোঃআকাশ, মোঃশাহ আলম, মুক্তার আলী, জিল্লুর রহমান, রেসনা রানী প্রমুখ।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এপি
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








