সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর জায়গা দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
সোমবার সকালে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া গ্রামের বাঁশ বাগানের পূর্ব পাশে যাদুকাটা নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ঘাগটিয়া গ্রামের বাসিন্দা রানু মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে যাদুকাটা নদীতে ঘেঁষে বাঁশ বাগানের পূর্ব পাশে ও এর আশপাশে এবং পাকা রাস্তার মাথা এলাকার পাড় কেটে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রি করেছে৷ এই জায়গা নিয়ে একাধিক বার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ও মামলাও হয়। আজ বাঁশ বাগানের পূর্ব পাশের জায়গা থেকে সেইভ মেশিন চালিয়ে বালু উত্তোলন করছিল রানু মেম্বারের নেতৃত্ব।
এসময় একই ইউনিয়নের গড়কাটি গ্রামের আশরাফ তালুকদার ও তার ছেলে জুবায়ের তালুকদার সহ সংঘবদ্ধ জায়গার মালিকানা দাবি করে বাধা দেয়। এসময় দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দু'পক্ষই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
তারা আরও জানায়, ঘাগটিয়া গ্রামের সরকারি পুকুর পাড় এলাকায় সেইভ মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে ঘাগটিয়া গ্রামে ইউপি সদস্য রানু মেম্বার, মুসা আলম, কামাল হোসেন, সাইফুল, সুবেল মিয়াসহ ১০-১৫ জনের একটি চক্র। এই কারণে ঘাগটিয়া গ্রামের বিলীন হওয়ার পথে রয়েছে। অনেকেই বসত বাড়ি ছেড়ে অনত্র চলেও গেছে। এই পাড় কাটা কোনভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। এ কারণে সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তাহিরপুর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে অবস্থান করছে। এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








