সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে নজরখালী বাঁধ ভেঙে হাওরের পানি ঢুকছে। এতে উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের নজরখালী বাঁধটি ভেঙে যায়।
শনিবার দুপুরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পাটলাই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নজরখালী বাঁধ এলাকায় তাহিরপুর ও মধ্যনগরসহ এ দুই উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৮২টি গ্রামের কৃষক ১০ হাজার একর বোরো ধান চাষাবাদ করেন। রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকায় এ বাঁধটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাভুক্ত নয় কিংবা বাঁধ নির্মাণে সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তাই গ্রামের কৃষকরা বাঁধটি (অস্থায়ী) নিজ উদ্যোগে প্রতি বছর নির্মাণ এবং আগাম জাতের ধান চাষাবাদ করেন।
স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ি ঢলে বাঁধটি ভেঙে গেলেও ফসলি জমির ক্ষতির শঙ্কা নেই। কেননা হাওরে যে পরিমাণ ধান কৃষকরা রোপণ করেছিলেন তা কেটে ঘরে তুলেছেন।
মধ্যনগর উপজেলার কৃষক আহমদ নুর বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওরে আগাম জাতের ধান চাষ করেছিলাম। সেই ধান এরইমধ্যে ঘরে তুলতে পেরেছি।’
তাহিরপুর উপজেলার কৃষক কালা মিয়া বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরে স্বল্প পরিমাণ ধান চাষ হয়। এরইমধ্যে সেই ধান কৃষকরা কেটে ঘরে তুলেছে। যে বাঁধটি ভেঙেছে সেটি আমরাই নির্মাণ করেছি।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, নজরখালী বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন নয়। তাই ওখানে কৃষকদের ধান চাষাবাদে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি হাওরে পানি ঢোকার সময় জেলেরা যেন মা মাছ না মারেন, সে বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে বলে দেওয়া হয়েছে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








