সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তথ্য গোপন করেছিলেন জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় শেখ হাসিনা কৃষি সম্পত্তি ৫ দশমিক ২ একর দেখিয়েছেন। দুদকের অনুসন্ধানে ২৯ একরের সন্ধান মিলে। দুদক বিষয়টি নিয়ে কাজ করলেও মনোনয়ন বাতিলের কাজ বাস্তবায়ন করতে পারেনি। দুদকের কাজ নিয়ে কোনো ধরনের চাপ নেই। তবে, নানা সীমাবদ্ধতা আছে। দুদকে তার সহকর্মীরা অনেক দুর্নীতির তথ্য চাপা দেয়, গণমাধ্যম তা করে না। যে দলেরই হোক সৎ লোককে নির্বাচিত করতে হবে। কে কোন দল করে, সেটা বড় ব্যাপার না। দেখতে হবে লোকটা সৎ কি না? দুদকের মামলার আসামি হতে পারে, এমন লোককে গ্রহণ করলে বিগত সময়ের মতোই পরিণতি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রার্থীরা হলফনামায় দেশি বিদেশি আয়ের হিসেব দিতে হয়।
রোববার সকালে দক্ষিণ সুরমার আলমপুরে দুদকের বিভাগীয় কার্যালয়ের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
কেউ গোপন করলে, তা খুঁজে বের করে দেশবাসীর কাছে উপস্থাপনের জন্য গণমাধ্যমকে আহ্বান জাননিয়ে দুুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদক বিচারকারী না। দুদকের দায়িত্ব মামলার তথ্যউপাত্ত আদালতে উপস্থাপন আর বিচারের দায়িত্ব আদালতের। পরে তিনি দুদকের গণশুনানিতে অংশ নেন।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিজস্ব প্রতিবেদক 








