গোয়াইনঘাটে ৩০ লাখ টাকার সরকারি খাস জমি দখলমুক্ত
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৫৪ PM

গোয়াইনঘাটে ৩০ লাখ টাকার সরকারি খাস জমি দখলমুক্ত

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭/০১/২০২৬ ০৬:২৪:৫৫ PM

গোয়াইনঘাটে ৩০ লাখ টাকার সরকারি খাস জমি দখলমুক্ত


গোয়াইনঘাটের লামার বাজার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যমানের সরকারি খাস জমি দখলমুক্ত করেছে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন। গত এক মাস ধরে উপজেলার হাদারপার গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে ফয়জুর রহমান ও তার পরিবার প্রায় ৬ শতক সরকারি জমি দখল করে মাটি ভরাট ও দোকানঘর নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসছিলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারীর নির্দেশে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক।

অভিযানে প্রায় ৬ শতক জমি দখলমুক্ত করা হয়। নির্মাণাধীন স্থাপনার রড, সিমেন্ট, একটি বৈদ্যুতিক মিটার ও ঢেউটিন জব্দ করা হয়েছে। তবে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িতদের ঘটনাস্থলে না পাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।


উচ্ছেদ অভিযানে সহায়তা করেন- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার আলমগীর হোসেন, গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এএসআই নীহার, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জাকির হোসেন, তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, লাফনাউন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবু বকর গাজী, উপজেলা ভূমি অফিসের নামজারি সহকারী অসিম চন্দ্র দাস এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা।

অভিযান পরিচালনার আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা হলেও মাটি ভরাট ও দোকানঘর নির্মাণ বন্ধ করেনি সংশ্লিষ্টরা। অভিযানে পাকা করে নির্মাণাধীন খুঁটি ভেঙে দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক বলেন, ফয়জুর রহমান নামে এক ব্যক্তি তার পরিবারসহ লামার বাজারে নদীর পাড়ে বেশ কয়েকদিন ধরে সরকারি খাস জমি দখল করে অবৈধভাবে একটি কাঠামো নির্মাণের চেষ্টা করে আসছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাটি ঠভরাট ও পিলার নির্মাণ করে যাচ্ছিলেন।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয় এবং তাদের নির্দেশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে পাকা পিলার ও শ্রমিকদের থাকার সেড ভাঙা হয়েছে। নির্মাণ সামগ্রী রড, সিমেন্ট, টিন ও বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে জড়িত কাউকে না পাওয়ায় মোবাইল কোর্ট করা হয়নি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি

সিলেটজুড়ে


মহানগর