হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌর শহরের পূর্ব মাধবপুর এলাকা থেকে সামান্তা আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সামান্তা আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওড়া গ্রামের শাহ আলমগীরের মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার সকালে মাধবপুর পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের জিতু মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সামান্তা মাধবপুর উপজেলার আদাঐর গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়ে ওঠেন। পরে বিজয়নগর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের সবুজ মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সবুজ মিয়া স্থানীয় একটি মেডিকেল সেন্টারের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর সামান্তা জানতে পারেন সবুজ মিয়ার পূর্বে আরও একটি সংসার রয়েছে। এ বিষয়টি গোপন রাখাকে কেন্দ্র করে তাদের দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন সময় বিরোধ দেখা দেয়।
সামান্তার মা জানান, সকালে মেয়ের সঙ্গে শেষবার কথা হয় তাদের। কিছু সময় পর স্বজনরা তার মৃত্যুর খবর পান। পরে বাসায় গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে মাধবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
মাধবপুর থানার ওসি মো. সোহেল রানা এ তথ্যটি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 








